AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

বিষাক্ত ফ্রিজের জল থেকে বাঁচাবে মাটির কুঁজো! কীভাবে?

গরম মানেই গ্যাস, অম্বল আর বদহজমের সমস্যা ঘরে ঘরে। ফ্রিজের অত্যধিক ঠান্ডা জল আমাদের শরীরের পাচন প্রক্রিয়ায় বাধা দেয়। অন্যদিকে, মাটির কলসির জল প্রাকৃতিক ভাবেই ক্ষারীয় বা অ্যালকালাইন প্রকৃতির। এটি শরীরের অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত মাটির পাত্রের জল খেলে অ্যাসিডিটি বা পেটের অস্বস্তি থেকে রেহাই পাওয়া যায় সহজেই।

বিষাক্ত ফ্রিজের জল থেকে বাঁচাবে মাটির কুঁজো! কীভাবে?
Image Credit: AI
| Updated on: Mar 29, 2026 | 6:36 PM
Share

ভ্যাপসা গরমে বাইরে থেকে ঘেমে-নেয়ে ঘরে ফিরলেই অনেকেরই হাত চলে যায় ফ্রিজের দরজার দিকে। এক নিশ্বাসে এক বোতল বরফ জল না খেলে যেন মন শান্ত হয় না। কিন্তু আপনি কি জানেন, এই সাময়িক আরাম আসলে আপনার শরীরের বারোটা বাজাচ্ছে? বড়রা বরাবরই বলেন, ‘পুরনো চাল ভাতে বাড়ে’, আর স্বাস্থ্য সচেতনদের মতে গরমের আরাম লুকিয়ে আছে মাটির কুঁজো বা কলসিতে। বিজ্ঞান বলছে, মাটির পাত্রের জল শুধু প্রাকৃতিক উপায়ে ঠান্ডা থাকে না, এর মধ্যে লুকিয়ে আছে এমন কিছু গুণ যা দামি পিউরিফায়ারও দিতে পারবে না।

কেন এই গরমে মাটির কুঁজোই আপনার পরম বন্ধু হওয়া উচিত? দেখে নিন তার তিনটি প্রধান কারণ:

গরম মানেই গ্যাস, অম্বল আর বদহজমের সমস্যা ঘরে ঘরে। ফ্রিজের অত্যধিক ঠান্ডা জল আমাদের শরীরের পাচন প্রক্রিয়ায় বাধা দেয়। অন্যদিকে, মাটির কলসির জল প্রাকৃতিক ভাবেই ক্ষারীয় বা অ্যালকালাইন প্রকৃতির। এটি শরীরের অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত মাটির পাত্রের জল খেলে অ্যাসিডিটি বা পেটের অস্বস্তি থেকে রেহাই পাওয়া যায় সহজেই। যারা দীর্ঘস্থায়ী পেটের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য এটি অমৃতের সমান।

মাটির কলসিতে জল রাখার ফলে মাটির খনিজ গুণাগুণ জলের সঙ্গে মিশে যায়। এটি একটি ন্যাচারাল ফিল্টার হিসেবে কাজ করে। শরীরের আনাচে-কানাচে জমে থাকা বিষাক্ত উপাদান বা টক্সিন বের করে দিতে মাটির পাত্রের জলের জুড়ি মেলা ভার। আর শরীর যখন ভেতর থেকে পরিষ্কার থাকে, তার ছাপ পড়ে আপনার চেহারায়। ত্বক হয়ে ওঠে আরও উজ্জ্বল এবং সজীব। একে আপনি ‘ন্যাচারাল ডিটক্স ড্রিঙ্ক’ বলতেই পারেন।

ফ্রিজের কনকনে ঠান্ডা জল খাওয়ার ফলে গলার রক্তনালী হঠাৎ সঙ্কুচিত হয়ে যায়। এর থেকেই শুরু হয় গলা ব্যথা, টনসিল বা সর্দি-কাশির উপদ্রব। কিন্তু মাটির কুঁজোর জলের তাপমাত্রা শরীরের জন্য একদম সহনীয়। এটি গলার ক্ষতি তো করেই না, বরং শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি বাড়াতে সাহায্য করে। গরমকালে বারবার জ্বর বা সর্দি হওয়ার প্রবণতা থাকলে আজই ফ্রিজের জলের বদলে বেছে নিন মাটির পাত্রের জল।

সাবধানতা ও যত্ন: মাটির কুঁজো ব্যবহার করলেই হবে না, তার সঠিক যত্নও প্রয়োজন। অন্তত ৭ থেকে ১০ দিন অন্তর পাত্রটি ভালো করে পরিষ্কার করুন। জল সবসময় ঢেকে রাখুন এবং সরাসরি রোদ লাগে এমন জায়গায় কলসি রাখবেন না। মনে রাখবেন, পুরনো হয়ে যাওয়া জল না খাওয়াই ভালো।

Follow Us