রান্নাঘরেই রয়েছে রূপটানের সরঞ্জাম, গোপন রূপ রহস্য ফাঁস করলেন অদিতি
তিনি আরও বলেন, অনেক সময় আমরা ত্বকের ওপর বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করি। এতে লাভের বদলে ক্ষতিই হয়। না জেনে যেকোনও প্রোডাক্ট মাখার বিরোধী অভিনেত্রী। মাঝে মাঝে কিছুই না লাগিয়ে ত্বককে বিশ্রাম দেওয়াও দরকার বলে মনে করেন তিনি। দিনের শেষে ভালো করে মুখ পরিষ্কার করা আর রোদে বেরোলে সানস্ক্রিন মেখে বেরোনো। এই সাধারণ নিয়মগুলোই তিনি মানেন।

পর্দায় তাঁকে দেখলেই চোখে পড়ে স্বাভাবিক একটা উজ্জ্বলতা। যেকোনও অনুষ্ঠানেও তাঁকে খুব কম মেক আপেই দেখা যায়। ভারী সাজ না থাকলেও অদিতি রায় হায়দারির গ্ল্যামারে মজেছেন অনেকেই। অনেকের মনেই প্রশ্ন এই সুন্দর ত্বকের রহস্য কী? সেই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন অদিতি নিজেই।
অদিতি হাসতে হাসতেই বলেছেন, “আমি তো আমার রান্নাঘরটাই মুখে মাখি!” কথাটা মজা করে বললেও, এর ভেতরে লুকিয়ে রয়েছে তাঁর সৌন্দর্যের আসল রহস্য। তিনি নাকি ত্বকের যত্নে ভরসা করেন ঘরের সাধারণ জিনিসের ওপর। বেসন, হলুদ, দই, মধু এইসব উপাদান দিয়েই বানান মুখে লাগানোর প্যাক। ছোটবেলা থেকে বাড়িতে এইভাবেই ত্বকের যত্ন নেন অভিনেত্রী। এখনও সেই সহজ পদ্ধতিই মেনে চলেন। তাঁর মতে, শুধু বাইরে কিছু লাগালেই হবে না। ভেতর থেকেও শরীরকে ভালো রাখতে হবে।
তাই নিয়ম করে জল খান, ঠিকমতো ঘুমোন, আর বাড়ির রান্না করা খাবার খান অভিনেত্রী। অদিতির বিশ্বাস, যেটা খাওয়ার জন্য নিরাপদ নয়, সেটা মুখে লাগানোও উচিত নয়। তাই যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক জিনিস ব্যবহার করেন।
তিনি আরও বলেন, অনেক সময় আমরা ত্বকের ওপর বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করি। এতে লাভের বদলে ক্ষতিই হয়। না জেনে যেকোনও প্রোডাক্ট মাখার বিরোধী অভিনেত্রী। মাঝে মাঝে কিছুই না লাগিয়ে ত্বককে বিশ্রাম দেওয়াও দরকার বলে মনে করেন তিনি। দিনের শেষে ভালো করে মুখ পরিষ্কার করা আর রোদে বেরোলে সানস্ক্রিন মেখে বেরোনো। এই সাধারণ নিয়মগুলোই তিনি মানেন।
সব মিলিয়ে অদিতির সৌন্দর্যের রহস্য খুব সাধারণ। দামি প্রসাধনী নয়, নিয়মিত যত্ন আর সহজ জীবনযাপনই তাঁর ভরসা। তাঁর কথায়, “নিজের ত্বককে ভালোবাসুন, অতিরিক্ত কিছু করার দরকার নেই।”
