হাড় কাঁপানো শীতে যখন তখন চা-কফিতে চুমুক দিচ্ছেন? হাতে কাপ তোলার আগে টাইমিংটা জেনে নিন, না হলেই খেলা শেষ!
খালি পেটে ক্যাফেইন গেলে স্ট্রেস হরমোন কর্টিকল উৎপাদনে সমস্য়া হতে পারে। ফলে, দিন শুরুর আগে হারাতে পারেন ধৈর্য। ঘুম থেকে উঠে খালিপেটে জল খেয়ে, বা খাবার খাওয়ার ১ ঘন্টা পর চা খেলে বিপদ এড়াতে পারবেন অনেকটাই।

ঘন ঘন চা কফি খান? কাপের পর কাপ চা না খেলে চলেই না? জানেন, সঠিক সময়টা না জেনে চা,কফি খেলেই পরবেন মহাবিপদে। অনেকেরই ঘুম ভাঙলেই বিছানা ছাড়ার আগে হাতে চাই চা বা কফি। খালি পেটেই চুমুক দেন চা কফির কাপে? খালি পেটে ক্যাফেইন গেলে স্ট্রেস হরমোন কর্টিকল উৎপাদনে সমস্য়া হতে পারে। ফলে, দিন শুরুর আগে হারাতে পারেন ধৈর্য। ঘুম থেকে উঠে খালিপেটে জল খেয়ে, বা খাবার খাওয়ার ১ ঘন্টা পর চা খেলে বিপদ এড়াতে পারবেন অনেকটাই।
যদি খাবার খেতে খেতে চা কফি খাওয়ার অভ্য়াস থাকে, তাহলেও সেই কুঅভ্যাস ছাড়ুন অবিলম্বে। খেতে খেতে চা কফি পান করলে হজম হবে না খাবার। চা বাধা দেয় শরীরে পুষ্টি, আয়রন শোষণকেও। তাই চা কফি হাতে নিন খাবার অন্তত ১ ঘন্টা আগে বা পরে।
বিকাল ৪টের পর চা কফি এড়ানোর পরামর্শ দেন ডাক্তাররা। ঘুমের ১০ ঘন্টা আগে, না পারলে অন্তত ৬ ঘন্টা আগে খেয়ে নিন দিনের শেষ চা। তাতে আপনার ঘুম ভালো হবে, লিভারের ডিটক্সিফিকেশন হবে তাড়াতাড়ি বাড়বে হজমশক্তি। তবে যাদের রাতে চা ছাড়া চলে না তারা ডিনারের পর নিতে পারেন হার্বাল টি। ক্যামোমাইল, পুদিনা , ল্যাভেন্ডার জাতীয় হার্বাল টি ডিনারের পর নিলে হজমশক্তি বাড়বে।
সময়মতো চা কফি খেলেও নিজের ক্য়ালরির কথা মাথায় রেখে চা কফির সাথে দুধ চিনি না মেশানোই ভালো। আবার অনেকেরই আবার কাপের পর কাপ চা কফি না খেলে দিনই চলে না। তাই, সুস্থ থাকতে হলে সময় বুঝে ছাড়া চা-কফিকে দূরে রাখুন নিজের থেকে। বেশি চা খেলেই উদ্বেগ,অস্থিরতা,মাথাব্যথা,এবং ঘুমের ব্য়াঘাতের মত সমস্য়া হতে পারে।
খালি পেটে খেলে বুকজ্বালা এবং অ্যাসিডিটি বাড়াতে পারে। চায়ে ট্যানিন থাকে যা খাবারের আয়রন শোষণে বাধা দেয়, ফলে অ্যানিমিয়া হতে পারে। বেশি চা খেলে প্রস্রাব হবে বেশি। ফলে হতে পারে ডিহাইড্রেশন। কফি বেশী খেলে ক্যাফেইন প্রতি আসক্তি আসতে পারে। গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে বেশী চা কফির অভ্যাস থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
