AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

অগোছালো ঘরেই কি অস্বস্তি? ব্যাচেলরদের জন্য কেমন ঘর হওয়া উচিত জেনে নিন

প্রথমেই দরকার অপ্রয়োজনীয় জিনিস বাছাই। অনেক সময়ই অকারণে পুরনো কাগজ, ভাঙা চার্জার, অচল জিনিস ঘরে জমতে থাকে। মাসে অন্তত একটা দিন বার করে যা দরকার নেই, সরিয়ে ফেলুন। এতে জায়গা বাড়বে, ঘরও হালকা লাগবে।

অগোছালো ঘরেই কি অস্বস্তি? ব্যাচেলরদের জন্য কেমন ঘর হওয়া উচিত জেনে নিন
Image Credit: AI
| Updated on: Feb 22, 2026 | 2:21 PM
Share

সন্ধ্যাবেলা কাজ সেরে বাড়ি ফিরলেন। দরজা খুলতেই সামনে এল জামাকাপড়ের স্তুপ, বিছানার কোণে কুঁচকে থাকা চাদর, টেবিলে অগোছালো কাগজপত্র। অনেকের কাছেই এ দৃশ্য খুব চেনা। বিশেষ করে যাঁরা একা থাকেন—অফিস, পড়াশোনা আর হাজার ব্যস্ততার মাঝে ঘর গুছিয়ে রাখা যেন বিলাসিতা। কিন্তু মনরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অগোছালো ঘর শুধু দেখতেই খারাপ লাগে না, মনেও প্রভাব ফেলে। মনোবিদদের মতে, অগোছালো পরিবেশ মানসিক চাপ বাড়ায়। কাজের পর বিশ্রাম নিতে চাইলে পরিষ্কার, ছিমছাম ঘর জরুরি। তাই এই ছোটো ছোটো টিপসেই যত্নে রাখুন নিজের ঘরকে।

প্রথমেই দরকার অপ্রয়োজনীয় জিনিস বাছাই। অনেক সময়ই অকারণে পুরনো কাগজ, ভাঙা চার্জার, অচল জিনিস ঘরে জমতে থাকে। মাসে অন্তত একটা দিন বার করে যা দরকার নেই, সরিয়ে ফেলুন। এতে জায়গা বাড়বে, ঘরও হালকা লাগবে।

দ্বিতীয়ত চাবি, মানিব্যাগ, নথি সব কিছুর নির্দিষ্ট জায়গা ঠিক করুন। আলাদা জায়গা থাকলে খোঁজাখুঁজি কমবে। দেয়ালে ছোট তাক বা ঝুলন্ত হুক ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে মেঝে ফাঁকা থাকবে, ঘরও বড় দেখাবে।

তৃতীয়ত, বিছানা গুছিয়ে দিন দিনের শুরুতেই। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, সকালে বিছানা গুছিয়ে রাখলে সারাদিনে কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়ে। এটি ছোট অভ্যাস হলেও মন ভালো রাখে।

চতুর্থত, জামাকাপড় জমতে দেবেন না। ধোয়ার কাপড়ের জন্য আলাদা ঝুড়ি রাখুন। সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিনে কাপড় কাচার অভ্যাস করলে ঘর অগোছালো হবে না।

পঞ্চমত, ঘরে আলো আর বাতাস ঢোকার সুযোগ দিন। জানলা খুলে দিলে ঘরের গন্ধ দূর হয়, মনও ফুরফুরে থাকে। চাইলে ছোট গাছ রাখতে পারেন—ঘর যেমন সুন্দর দেখাবে, তেমনই পরিবেশও ভালো থাকবে।

সবশেষে, মনে রাখবেন- ঘর গুছিয়ে রাখা মানে নিখুঁত ভাবে সাজিয়ে রাখা নয়। বরং নিজের মতো করে আরামদায়ক একটি পরিসর তৈরি করা। একা থাকলেই যে অগোছালো থাকতে হবে, এমন নয়। অল্প সময়, সামান্য পরিকল্পনা আর নিয়মিত যত্ন এই তিনেই বদলে যেতে পারে আপনার ছোট্ট ঘর।