AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

টুথ পিক, সেফটি পিন নয়, দাঁত থেকে খাবার টুকরো বার করার ৩ ঘরোয়া উপায়

দন্ত বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাস কিন্তু দাঁত ও মাড়ির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ধাতব বা কাঠের তৈরি এই ধারালো জিনিসগুলো ব্যবহারে মাড়ি থেকে রক্তপাত হতে পারে, মাড়ির টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং দাঁতের এনামেল নষ্ট হয়ে ইনফেকশন পর্যন্ত হতে পারে। তাই ভুল করেও এই কাজ আর নয়। জেনে নিন দাঁত বা মাড়ির ক্ষতি না করে সহজে খাবার বের করার ৩টি নিরাপদ ঘরোয়া উপায়।

টুথ পিক, সেফটি পিন নয়, দাঁত থেকে খাবার টুকরো বার করার ৩ ঘরোয়া উপায়
| Updated on: Jul 02, 2026 | 5:44 PM
Share

দুপুরের  মাংস হোক কিংবা রাতের পছন্দের কোনও পদ— খাওয়ার পর অনেক সময়ই দাঁতের ফাঁকে খাবারের ছোট টুকরো বা আঁশ আটকে যায়। আর এই খাবার আটকে গেলেই শুরু হয় চরম অস্বস্তি। যতক্ষণ না সেটা বের হচ্ছে, ততক্ষণ যেন শান্তিতে থাকা যায় না। আর এই অস্বস্তি থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই হাতের কাছে থাকা টুথপিক, সেফটিপিন, দেশলাই কাঠি দিয়ে দাঁত খোঁচাতে শুরু করেন।

দন্ত বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাস কিন্তু দাঁত ও মাড়ির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ধাতব বা কাঠের তৈরি এই ধারালো জিনিসগুলো ব্যবহারে মাড়ি থেকে রক্তপাত হতে পারে, মাড়ির টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং দাঁতের এনামেল নষ্ট হয়ে ইনফেকশন পর্যন্ত হতে পারে। তাই ভুল করেও এই কাজ আর নয়। জেনে নিন দাঁত বা মাড়ির ক্ষতি না করে সহজে খাবার বের করার ৩টি নিরাপদ ঘরোয়া উপায়।

চিকিৎসকদের মতে, দাঁতের ফাঁক থেকে খাবার বের করার সবচেয়ে নিরাপদ ও আধুনিক উপায় হলো ডেন্টাল ফ্লস। এটি মূলত একধরণের বিশেষ সুতো, যা ওষুধি দোকানে (Pharmacy) সহজেই কিনতে পাওয়া যায়। প্রায় ১৫-১৮ ইঞ্চি লম্বা এক টুকরো ফ্লস নিয়ে দুই হাতের আঙুলে পেঁচিয়ে নিন। এবার খুব আলতো করে দাঁতের ফাঁকে সুতোটি ঢুকিয়ে উপর-নিচে করুন। দেখবেন, টুথপিকের চেয়েও সহজে এবং কোনওরকম ব্যথা ছাড়াই আটকে থাকা খাবার সুতোর টানে বাইরে বেরিয়ে আসবে।

যদি খাবারটি দাঁতের খুব গভীরে আটকে না থাকে, তবে জলই আপনার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। এক গ্লাস ইষদুষ্ণ গরম জলে আধ চামচ নুন মিশিয়ে নিন। এবার সেই জল মুখে নিয়ে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ সেকেন্ড খুব ভালো করে এবং জোরে জোরে কুলকুচি (Rinse) করুন। নুন-জলের এই গতির কারণে দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা খাবারের কণা আলতো হয়ে আলগা হয়ে বেরিয়ে আসে। সেই সঙ্গে নুন-জল মুখের ভেতরের ব্যাকটেরিয়া মেরে মাড়ির ফোলা ভাব বা ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে।

আজকাল বাজারে ব্রাশ বা ফ্লসের পাশাপাশি ‘ওয়াটার ফ্লসার’ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এটি একটি ছোট হ্যান্ডহেল্ড ডিভাইস, যা থেকে তীব্র জলের ধারা (Water pressure) নির্গত হয়। ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করতে যাঁদের সমস্যা হয়, তাঁরা এটি ব্যবহার করতে পারেন। দাঁতের যে অংশে খাবার আটকেছে, সেখানে এই ডিভাইসের নজলটি তাক করে অন করলেই জলের তীব্র চাপে খাবার নিমেষের মধ্যে ধুয়ে বেরিয়ে যাবে। এতে মাড়িতে চোট লাগার কোনও সম্ভাবনাই থাকে না।

খাওয়ার পর নিয়ম করে মুখ ধোওয়া এবং দিনে দু’বার ব্রাশ করার অভ্যাস দাঁতকে সুস্থ রাখে। তবে যদি দেখেন কোনও নির্দিষ্ট দাঁতের ফাঁকে প্রায়দিনই খাবার আটকে যাচ্ছে এবং সাধারণ উপায়ে বের হচ্ছে না, তবে অবহেলা না করে একজন ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন। কারণ এটি দাঁতের ক্যাভিটি বা মাড়ির সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।

Follow Us