Calcutta High Court: ‘কাঁচা-পাকা কাঠামো ভাগ করেছেন?’ জানতে চাইল হাইকোর্ট, সব হকারের জন্য স্থগিতাদেশ
Hawker Eviction: রেলের আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেছেন, হকার উচ্ছেদ করতে কোনও নোটিস লাগে না। বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য বলেন, "কিন্তু আপনারা নোটিস দিয়েছেন। কোন কাঠামো উচ্ছেদ করা হবে, সেটা বলুন। নাহলে নোটিস খারিজ করব।"

কলকাতা: রেল ও অন্যান্য সরকারি জমি ব্যবহার করে ব্যবসা চালানোর অভিযোগ তুলে শহর তথা রাজ্যের একাধিক জায়গায় হকার উচ্ছেদ করা হয়েছে। বেআইনিভাবে ব্যবসা করার অভিযোগে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে হকারদের। বালিগঞ্জ, বামনগাছি, বারুইপুর, ডানকুনির মতো একাধিক জায়গার হকার উচ্ছেদ নিয়ে আগেই মামলা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। আর এবার মধ্যমগ্রাম রেল স্টেশনে হকার উচ্ছেদে অন্তর্বতী স্থগিতাদেশ দিল হাইকোর্ট।
যাঁরা মামলা করেছেন, শুধুমাত্র তাঁদের উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। আজ, বৃহস্পতিবার বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য ও বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্য ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলা উঠলে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আপাতত ওই স্টেশনের সবার জন্যই স্থগিতাদেশ প্রযোজ্য হবে। পরবর্তী শুনানির আগে পর্যন্ত লাগু থাকবে এই নির্দেশ।
রেলের আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেছেন, হকার উচ্ছেদ করতে কোনও নোটিস লাগে না। বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য বলেন, “কিন্তু আপনারা নোটিস দিয়েছেন। কোন কাঠামো উচ্ছেদ করা হবে, সেটা বলুন। নাহলে নোটিস খারিজ করব।”
কারা লাইসেন্সপ্রাপ্ত, কারা নয়, কাদের কাঁচা কাঠামো, কাদের পাকা কাঠামো রয়েছে, সেগুলি ভাগ করা হয়েছে কি না, রেলের কাছে জানতে চান বিচারপতি। রেলের আইনজীবী প্রশ্ন তোলেন, যে ১৩ জন আদালতে এসেছে, তাদের ছাড় দেওয়া হয়েছে, তাহলে এখন সবার জন্য অর্ডার দেওয়ার কথা কেন বলা হচ্ছে? যত হকার আছে সবাইয়ের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া অসম্ভব বলে দাবি করেন তিনি।
বিচারপতি বলেন, “আপনারা কাদের নোটিসের মধ্যে আনছেন? যদি বলেন আলাদা আলাদা করে প্রত্যেককে নোটিস দেবেন না, তাহলে একইসঙ্গে হকাররাও একইভাবে ওই স্থগিতাদেশ পাবেন।” এর আগে হকার সংক্রান্ত অপর একটি মামলায় হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, রেলকে উচ্ছেদের আগে বিকল্প জায়গা বেছে দিতে হবে
