চিট ডেতে বেশি বেশি খেয়ে ফেলেছেন! জানেন ক্ষতি কতটা?
স্বাস্থ্য সংক্রান্ত গবেষনার ওয়েবসাইট থেকে জানা গিয়েছে, সপ্তাহে একদিন বেশি খেলে , শরীরে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা কমতে পারে গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মাত্র এক সপ্তাহে মাত্রায় বেশি খাওয়া হলেও শরীরে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা দ্রুত কমে যায়। এর ফলে শরীর (গ্লুকোজ) ঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে না যা বাড়িয়ে দিতে পারে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি।, যখন হঠাৎ খুব বেশি খাবার খাওয়া হয়,তখন বদহজম, গ্যাস, অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা হতে পারে। তবে সাধারণত এগুলো সাধারণত অল্প সময়ের জন্য স্থায়ী হয়।

সারা সপ্তাহ বেশ কড়া ডায়েট ফলো করে একটা দিন চুটিয়ে খান অনেকেই। সারা সপ্তাহ ডায়েট চার্ট মেনে সপ্তাহের শেষে কি চুটিয়ে পছন্দের বিরিয়ানি, ফ্রায়েড রাইস ,মোগলাই আরও অনেক ফাস্টফুড খাচ্ছেন? চিট ডে পালন করতে গিয়ে অজান্তে নিজের শরীরের দফা রফা করছেন না তো? কী বলছেন চিকিৎসকরা?
বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন সপ্তাহে একদিন অন্যান্য দিনের চেয়ে বেশি খাবার খাওয়া বা “ওভারইটিং” (overeating) অনেকের কাছে স্বাভাবিক মনে হলেও সেটি নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হলে ঘটাতে পারে বিপদ। এটা শুধু ওজন বাড়ায় না, ক্ষতিও করে স্বাস্থ্যের।
কী বলছেন এই বিষয়ে চিকিৎসকরা?
স্বাস্থ্য সংক্রান্ত গবেষনার ওয়েবসাইট থেকে জানা গিয়েছে, সপ্তাহে একদিন বেশি খেলে , শরীরে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা কমতে পারে গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মাত্র এক সপ্তাহে মাত্রায় বেশি খাওয়া হলেও শরীরে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা দ্রুত কমে যায়। এর ফলে শরীর (গ্লুকোজ) ঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে না যা বাড়িয়ে দিতে পারে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি।, যখন হঠাৎ খুব বেশি খাবার খাওয়া হয়,তখন বদহজম, গ্যাস, অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা হতে পারে। তবে সাধারণত এগুলো সাধারণত অল্প সময়ের জন্য স্থায়ী হয়।
শরীর অতিরিক্ত খাবার হজম করতে প্রচুর শক্তি ব্যবহার করে। তাই অনেকেই বেশি খাবার পর ক্লান্ত বোধ করেন তাতে মনোযোগ কমে যায় এবং ঘুম আসার প্রবণতা বাড়ে। একদিনে শুধু ফ্যাট-ভরা বা ক্যালোরি ভরা খাবার খেলে তা ওজন কমানোর প্রসেসকে ব্যাহত করে এবং শরীরে স্বল্প স্থায়ী ব্লাড সুগার স্পাইক বা ইনসুলিনে দ্রুত পরিবর্তন ঘটাতে পারে — যা গুরুতর সমস্যা তৈরি করতে পারে, বিশেষত যারা চর্বি কমাতে বা রক্ত-চিনি নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন তাঁদের জন্য বেশ সমস্যা হতে পারে।
তবে মাত্র একদিন খাওয়া বেশি হলে তা শরীর বিপর্যস্ত করে না, কিন্তু এটি নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হলে ঝুঁকি বাড়ে। অতিদ্রুত খাওয়া, ফাস্টফুড বা বেশি ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেছে নিলে হজম ও হরমোন ব্যালান্সে প্রভাব পড়তে পারে।
