AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

World Heart Day 2026: আল্ট্রাসাউন্ডে শিশুর হার্টবিটে অস্বাভাবিকতা? প্যানিক করার আগে এই তথ্যগুলো জেনে রাখুন

Fetal Heart Health: গর্ভাবস্থায় শিশুর প্রথম হার্টবিট শোনা আনন্দের হলেও, শুধু এটা দিয়েই কি সবটা বোঝা যায়? চিকিৎসকরা বলছেন অন্য কথা! গর্ভস্থ শিশুর হার্টে লুকিয়ে থাকতে পারে এমন কিছু বিপদ, যা অবহেলা করলেই মুশকিল। ঠিক কোন লক্ষণগুলো দেখলে সতর্ক হওয়া জরুরি?

World Heart Day 2026: আল্ট্রাসাউন্ডে শিশুর হার্টবিটে অস্বাভাবিকতা? প্যানিক করার আগে এই তথ্যগুলো জেনে রাখুন
কী বলছেন চিকিৎসকরা?Image Credit: Getty Images
| Updated on: Sep 29, 2026 | 9:10 AM
Share

গর্ভাবস্থায় (Pregnancy) প্রথমবার আল্ট্রাসাউন্ড মেশিনে যখন ধুকপুক শব্দটা শোনা যায়, মুহূর্তটা বাবা-মায়ের কাছে ঠিক কতটা স্পেশাল, তা বলে বোঝানোর নয়। ছোট্ট একটা প্রাণের অস্তিত্ব জানান দেয় ওই হার্টবিট। কিন্তু গর্ভস্থ শিশুর হৃৎপিণ্ড ঠিকমতো তৈরি হচ্ছে কি না, সেটা বোঝার জন্য শুধু হার্টবিট শোনাই কি যথেষ্ট? ওয়ার্ল্ড হার্ট ডে-তে (World Heart Day) চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, বিষয়টি এতটাও সহজ নয়। এর নেপথ্যে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় লুকিয়ে রয়েছে।

হার্টবিট শোনা মানেই কি সব ঠিক?

মায়ের পেটে থাকতেই শিশুর হার্ট তৈরি হতে শুরু করে। রুটিন চেকআপের সময় চিকিৎসকরা শিশুর হার্টবিট শোনেন। একটি সুস্থ শিশুর হার্ট রেট মিনিটে ১১০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে থাকে। তবে শিশুর নড়াচড়ার ওপর ভিত্তি করে এই রেট কখনও কখনও বদলায়।

জয়পুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের রেডিওলজি এবং ফিটাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. অর্পিতা কউল জানাচ্ছেন, গর্ভাবস্থায় শিশুর হার্ট রেট ওঠানামা করা খুব স্বাভাবিক। তাই একদিনের রিপোর্ট দেখে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। চিকিৎসক আগের রিপোর্ট এবং মায়ের স্বাস্থ্য মিলিয়ে তবেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন।

কখন সতর্ক হওয়া জরুরি?

মাঝে মাঝে দেখা যায়, গর্ভস্থ শিশুর হার্টবিট খুব দ্রুত বা খুব ধীরে চলছে। আবার কখনও ছন্দটা ঠিক মিলছে না। এর মানেই যে শিশুর বড় কোনও হার্টের অসুখ রয়েছে, এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই। অনেক সময় এই বদল সাময়িক হয়। তবে আল্ট্রাসাউন্ডে অস্বাভাবিক কিছু ধরা পড়লে চিকিৎসকরা ‘ফিটাল ইকোকার্ডিওগ্রাম’ (Fetal Echocardiogram) করার পরামর্শ দেন।

চণ্ডীগড়ের একটি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ ডা. ভবনীত কৌর জানাচ্ছেন, রুটিন স্ক্যানের চেয়ে এটি অনেক বেশি পরিষ্কার ধারণা দেয়। হার্টের চেম্বার, ভালভ বা রক্ত চলাচলের পথে কোনও সমস্যা আছে কি না, তা নিখুঁতভাবে ধরা পড়ে এই পরীক্ষায়। আগে থেকে সমস্যা ধরা পড়লে চিকিৎসার জন্য বেশ কিছুটা সময় পাওয়া যায়।

গবেষণা কী বলছে? জন্মগত হার্টের সমস্যা এখন বেশ সাধারণ একটি ঘটনা। আমেরিকার সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (CDC)-এর একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্রতি ১০০ জন শিশুর মধ্যে ১ জন জন্মগত হার্টের সমস্যা নিয়ে জন্মায়। আর এদের মধ্যে প্রতি চার জনের মধ্যে একজনের অবস্থা এতটাই জটিল থাকে যে, জন্মের প্রথম বছরেই তার বড় চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।

কী করবেন?

গর্ভাবস্থার শেষের দিকে শিশুর নড়াচড়া হঠাৎ কমে গেলে বা হার্টবিটে খুব বেশি অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলা জরুরি। তবে অযথা প্যানিক করবেন না। নিয়মিত চেকআপ আর সঠিক সময়ে আল্ট্রাসাউন্ড করালেই গর্ভস্থ শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

Follow Us