AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

২০১৭ সালেই ধোনিকে অধিনায়কত্ব ছাড়তে অনুরোধ করেছিল বিসিসিআই, বিষ্ফোরক দাবি প্রাক্তন নির্বাচকের!

এই সিদ্ধান্ত তখন ব্যাপক সমালোচনার মুখেও পড়েছিল। তবে পারাঞ্জপে সাফ জানিয়েছিলেন, “নির্বাচকদের কঠিন সিদ্ধান্ত নিতেই হয়। আমরা জানতাম সমালোচনা হবে, তবুও ভবিষ্যতের কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।” এই সহযোগিতাই পরবর্তী সময়ে ভারতীয় দলকে সফলতা পেতে সাহায্য করে।

২০১৭ সালেই ধোনিকে অধিনায়কত্ব ছাড়তে অনুরোধ করেছিল বিসিসিআই, বিষ্ফোরক দাবি প্রাক্তন নির্বাচকের!
Image Credit: Andy Kearns/Getty Images
| Edited By: | Updated on: Feb 14, 2026 | 5:50 PM
Share

কলকাতা: নতুন তথ্য সামনে এনে ভারতীয় ক্রিকেটে আবার আলোড়ন তুললেন প্রাক্তন জাতীয় নির্বাচক যতীন পারাঞ্জপে। তাঁর দাবি, ২০১৭ সালে ওডিআই ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অধিনায়কত্ব ছাড়ার জন্য তখনকার নির্বাচকরা এমএস ধোনিকে অনুরোধ করেছিলেন। আর সেই সিদ্ধান্তের ফলেই ভারতের সাদা বলের নেতৃত্বের দায়িত্ব যায় বিরাট কোহলির হাতে। তখন দলের নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন এমএসকে প্রসাদ। যেহেতু কোহলি টেস্ট দলের অধিনায়ক ছিল, তাই ২০১৯ বিশ্বকাপে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন ছিল।”

পারাঞ্জপে জানান, নাগপুরের একটি ম্যাচে এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। দীর্ঘক্ষণ ব্যাটিং করার পর ধোনির সঙ্গে কথা বলেন নির্বাচকরা। অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে তাঁকে বলা হয় যে, নেতৃত্ব বদলের এটাই সঠিক সময়। পারাঞ্জপের কথায়, “মাহি খুব ভালোভাবে বিষয়টিকে মেনেও নেন।” এরপর সেদিন রাতেই একটি ইমেলে ধোনি লেখেন, ‘আমি ক্য়াপ্টেনশিপ ছাড়তে চাই।’ আর এই একটি লাইনের মাধ্যমেই শেষ হয় ভারতের অন্যতম সফল অধিনায়কের অধ্যায়। ধোনিই একমাত্র ভারতীয় অধিনায়ক যিনি তিনটি আইসিসি সাদা বলের ট্রফি জিতেছেন। ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০১১ ওডিআই বিশ্বকাপ ও ২০১৩ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। ২০১৪ সালে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি পুরো মনোযোগ দেন ওডিআই ও টি-টোয়েন্টিতে।

এই সিদ্ধান্ত তখন ব্যাপক সমালোচনার মুখেও পড়েছিল। তবে পারাঞ্জপে সাফ জানিয়েছিলেন, “নির্বাচকদের কঠিন সিদ্ধান্ত নিতেই হয়। আমরা জানতাম সমালোচনা হবে, তবুও ভবিষ্যতের কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।” নেতৃত্ব বদলের পরও, ধোনি সমর্থন করেছিলেন কোহলিকে। তিনি বলেছিলেন, কোহলির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন এবং নিজের সমস্ত অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নেবেন। আর এই সহযোগিতাই পরবর্তী সময়ে ভারতীয় দলকে সফলতা পেতে সাহায্য করে।