T20 World Cup : ভারত শহরে আসতেই উন্মাদনা তুঙ্গে, “পিচ ভিলেন হবে না” বলছেন সৌরভ থেকে সুজন!
শেষ আটের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচেই জিম্বাবোয়েকে ৭২ রানে পরাজিত করেছে ভারত। আগামীকাল মরণ-বাঁচন ম্যাচ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে। জিতলেই সেমি, হারলেই বিদায়। ভারতীয় সমর্থকদের মাথায় চিন্তার ভাঁজ ফেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রেকর্ড।

কলকাতা : রবিবার ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে কার্যত কোয়ার্টার ফাইনাল খেলতে নামছে ভারত। জিতলেই সেমি, হারলেই বিদায়। এই বিশ্বকাপে প্রথমবার ইডেনে নামছেন সূর্যরা। ইতিমধ্যেই শহরে পৌঁছে গিয়েছে ভারতীয় দল। কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিয়েছেন দলের কোচ গৌতম গম্ভীর। কলকাতা এলেই কালীঘাটে মায়ের দর্শন করেন তিনি। এদিকে টিকিট নিয়ে এখনও হাহাকার কমেনি দর্শকের মধ্যে। যেভাবে হোক, ১টি টিকিট পেলেই খুশি ভারতীয় সমর্থকরা। এসবের মধ্যেই আগামীকালের পিচ নিয়ে বড় আপডেট দিলেন পিচ কিউরেটর সুজন মুখোপাধ্যায়।
চলতি বিশ্বকাপে ইতালি ও স্কটল্যান্ড ম্যাচের পিচই আগামীকাল ব্যবহার হবে বলে জানা যাচ্ছে। রানের বন্যা হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সুজন। এই পিচেই প্রথমে ব্যাট করে ২০৭ রান তুলেছিল স্কটল্যান্ড। শুক্রবার বিকেলে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এসে পিচ পরীক্ষা করার পর পুরো আউটফিল্ড-সহ মাঠ ঢেকে দেওয়া হয়। মাঠে লেজার শো ও মিউজিক সিস্টেমও পরীক্ষামূলক ব্যবহার করে দেখে নেওয়া হয়। গতকাল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করতে দেখা যায় সুজন ও বোর্ডের মুখ্য পিচ নির্মাতা আশিস ভৌমিককে। বেশ কয়েকবার পিচ নিরীক্ষণ করেন সৌরভ। সংবাদমাধ্যমকে সুজন জানিয়েছেন,”পিচ নিয়ে সৌরভ খুশি। দ্বিতীয় ম্যাচের পিচই ব্যবহার করা হবে। রান যেমন দেখা যাবে, তেমনই সাহায্য পাবেন বোলাররাও। কলকাতায় রাতে এখনও আদ্রতা কম থাকায় শিশিরের প্রভাব থাকবে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শিশিরের সম্ভাবনা তেমন নেই। ফলে, টস ম্যাচের ফারাক গড়বে না। পিচ শুষ্ক থাকায় স্পিনাররা সাহায্য পেতে পারেন। যদিও, ভারতের হয়ে অক্ষর, বরুণের পাশাপাশি সাহায্য পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে বুমরা ও অর্শদীপেরও।
শেষ আটের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচেই জিম্বাবোয়েকে ৭২ রানে পরাজিত করেছে ভারত। আগামীকাল মরণ-বাঁচন ম্যাচ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে। এর আগে কলকাতায় দুটি ম্যাচ খেলে ফেলেছে ক্যারিবিয়ানরা। তারই সঙ্গে ভারতীয় সমর্থকদের মাথায় চিন্তার ভাঁজ ফেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রেকর্ড। কলকাতায় কিন্তু একবারও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হারেনি ক্যারিবিয়ানরা।
