
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে ইতিহাস হার্দিক পান্ডিয়ার। প্রিয় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স জার্সিতেই হল সেই রেকর্ড। মরসুমের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারেননি হার্দিক পান্ডিয়া। স্লো ওভার রেটের জন্য গত মরসুমেই শাস্তি হিসেবে এক ম্যাচের নির্বাসন দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। হার্দিকের অনুপস্থিতিতে এ বারের আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের প্রথম ম্যাচে ক্যাপ্টেন্সি করেছিলেন সূর্যকুমার যাদব। আমেদাবাদে গুজরাট টাইটান্সের ম্যাচ দিয়ে ফেরেন। যদিও শুরুটা ভালো হয়নি। ঘরের মাঠে কেকেআরের বিরুদ্ধে অনবদ্য জয়ে ক্যাপ্টেন্সিতে যেমন নজর কাড়েন, তেমনই বল হাতেও সাফল্য় পান হার্দিক। এ বার গড়লেন রেকর্ড।
লখনউ সুপার জায়ান্টসের ঘরের মাঠে টস জেতেন হার্দিক পান্ডিয়া। রান তাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগেনি। লখনউয়ের বিরুদ্ধে মুম্বইয়ের সার্বিক রেকর্ড সুখকর নয়। টস জেতায় হার্দিকের হাসি চওড়া হয়েছিল। যদিও মিচেল মার্শ-এইডেন মার্কব়্যাম জুটি স্বস্তি দেয়নি। মুম্বইও দ্রুতই ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেন। শেষ অবধি ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ২০৩ রান করে লখনউ। আর এই ৮ উইকেটের মধ্যে পাঁচটিই মুম্বই ক্যাপ্টেন হার্দিক পান্ডিয়ার ঝুলিতে।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে প্রথম ক্যাপ্টেন হিসেবে ম্যাচে পাঁচ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড হার্দিক পান্ডিয়ার। লখনউ শিবিরের বড় উইকেটগুলি তাঁর ঝুলিতেই। ফর্মে থাকা নিকোলাস পুরানকে ফিরিয়ে খাতা খোলেন হার্দিক। এরপর প্রতিপক্ষ ক্যাপ্টেন ঋষভ পন্থের পাশাপাশি এইডেন মার্কব়্যাম, মিলারকেও ফেরান। ৪ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট নেন হার্দিক।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে কেরিয়ারে প্রথম বার ফাইফার হার্দিকের। ক্যাপ্টেন হিসেবে আইপিএলে ইতিহাসে সেরা বোলিং পারফরম্যান্স ছিল অনিল কুম্বলের। আইপিএলের দ্বিতীয় সংস্করণ অর্থাৎ ২০০৯ সালে ডেকান চার্জার্সের বিরুদ্ধে ১৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন তৎকালীন আরসিবি ক্যাপ্টেন কুম্বলে।