T20 World Cup : সুপার ওভারে জয়, প্রোটিয়াদের ভূয়সী প্রশংসায় সচিন!
গতকালই রুদ্ধশ্বাস জয় পেয়েছে দল। পরপর দুটি সুপার ওভার খেলে হারিয়েছে আফগানদের। আহমেদাবাদে দুর্দান্ত জয় পেয়ে মানসিক দিক থেকে যথেষ্ট চাঙ্গা দক্ষিণ আফ্রিকা। রহমানউল্লাহ গুরবাজ চেষ্টা করলেও জেতাতে পারেন নি দলকে। আফগানিস্তান হারলেও গুরবাজের লড়াই বুঝিয়ে দিল, বিশ্ব ক্রিকেটে আফগানরা আর 'আন্ডারডগ' নয়।

কলকাতা : গতকালই রুদ্ধশ্বাস জয় পেয়েছে দল। পরপর দুটি সুপার ওভার খেলে হারিয়েছে আফগানদের। আহমেদাবাদে দুর্দান্ত জয় পেয়ে মানসিক দিক থেকে যথেষ্ট চাঙ্গা দক্ষিণ আফ্রিকা। রহমানউল্লাহ গুরবাজ চেষ্টা করলেও জেতাতে পারেন নি দলকে। আফগানিস্তান হারলেও গুরবাজের লড়াই বুঝিয়ে দিল, বিশ্ব ক্রিকেটে আফগানরা আর ‘আন্ডারডগ’ নয়।
টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল আফগানিস্তান। রায়ান রিকলটন (৬১) এবং কুইন্টন ডি’কক (৫৯)-এর চওড়া ব্যাটে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৭ রান তোলে প্রোটিয়ারা। ব্যাটে নেমে দুই বল বাকি থাকতেই ১৮৭ রানে অল আউট হয়ে যায় আফগানিস্তান। ৮৪ রান করলেও দলকে জেতাতে ব্যর্থ হন গুরবাজ। প্রথম সুপার ওভারে লুঙ্গি এনগিডির বিরুদ্ধে আজমতুল্লাহ ওমরজাই দুটি চার ও একটি ছক্কা মেরে ১৭ রান তোলেন। মনে হয়েছিল ম্যাচটা আফগানিস্তানের পকেটে, কিন্তু শেষ বলে ট্রিস্টান স্টাবস একটি বিশাল ছক্কা মেরে পুনরায় ম্যাচ টাই করে দেন। দ্বিতীয় সুপার ওভারে স্টাবস ও ডেভিড মিলারের তান্ডবে ওমরজাইয়ের ওভার থেকে ২৪ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। পাহাড়প্রমাণ এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে গুরবাজ টানা তিন বলে তিনটি ছক্কা মেরে কার্লোস ব্রাথওয়েট এবং যুবরাজ সিংয়ের জুতোয় পা গলানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। শেষ বলে দরকার ছিল ৬ রান, কিন্তু গুরবাজ আউট হতেই মাত্র ৪ রানের ব্যবধানে স্বপ্নভঙ্গ হয় আফগানদের।
এই রুদ্ধশ্বাস জয়ের প্রশংসা করেছেন সচিন তেন্ডুলকর। নিজের এক্স (টুইটার) হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন,”একেবারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চললেও এই আফগান দল সত্যি বিপজ্জনক হওয়ার ক্ষমতা রাখে। মাথা ঠাণ্ডা রেখে জেতার জন্য প্রোটিয়াদের অভিনন্দন।” ডি গ্ৰুপে রয়েছে দুই দল। দক্ষিণ আফ্রিকা দুটি ম্যাচে খেলে দুটিতেই জিতে রানরেটে পিছিয়ে থাকার কারণে পয়েন্টস টেবলে দ্বিতীয় স্থানে। প্রথম স্থানে কিউইরা। আবার পরপর দুই ম্যাচে হেরে ‘বিদায়’ নামক খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে আফগানিস্তান। আগামী ম্যাচেও না জিতলে বিদায় ঘটে যাবে রশিদ খানদের।
