T20 World Cup: বিশ্বকাপের স্বপ্ন কি ক্রমশ ফিকে হয়ে যাচ্ছে সঞ্জু স্যামসনের
Sanju Samson, World Cup Dream: গত কয়েকটা সিরিজে সঞ্জুকে নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করা হয়েছে। বিশ্বকাপের আগে ফর্মে না থাকায় গিলকে পরিকল্পনা থেকে বাদ রাখা হয়। পাওয়ার প্লে-তে গিল ব্যর্থ হওয়ায় আবার ওপেনার হিসেবে ফিরিয়ে আনা হয় সঞ্জুকে। এই সময় আবার সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন ঈশান কিষাণ। ভারতীয় দলে প্রত্যাবর্তন হয় তাঁর।

কলকাতা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওপেনিং কম্বিনেশন ঘিরে হঠাৎই নানা অঙ্ক। অভিষেক শর্মার সঙ্গে ওপেন করবেন কে? কাকে দেখা যাবে উইকেটকিপারের ভূমিকায়? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে চর্চায় প্রবলভাবে সঞ্জু স্যামসন। ২০২৪-২০২৫ সালে ভারতীয় দলে নিয়মিত ওপেনার হিসেবে দেখা গিয়েছে সঞ্জুকে। অভিষেক শর্মার সঙ্গে তাঁর জুটি তখন ছিল দারুণ ফর্মে। কিন্তু ২০২৫ এশিয়া কাপের আগে এই সমীকরণ বদলে যায়। টেস্ট ক্রিকেট থেকে টি-টোয়েন্টি দলে ফেরেন শুভমন গিল। স্যামসনকে ওপেনিং থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বদলে তাঁকে নামানো হয় মিডল অর্ডারে। যে ভূমিকায় তিনি একেবারেই স্বচ্ছন্দ নন। পারফরম্যান্সেও তার প্রভাব পড়ে। সেই সঞ্জু কি একাদশ থেকে বাদ পড়ে যেতে পারেন?
গত কয়েকটা সিরিজে সঞ্জুকে নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করা হয়েছে। বিশ্বকাপের আগে ফর্মে না থাকায় গিলকে পরিকল্পনা থেকে বাদ রাখা হয়। পাওয়ার প্লে-তে গিল ব্যর্থ হওয়ায় আবার ওপেনার হিসেবে ফিরিয়ে আনা হয় সঞ্জুকে। এই সময় আবার সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন ঈশান কিষাণ। ভারতীয় দলে প্রত্যাবর্তন হয় তাঁর। নিজেকে প্রমাণও করেছেন। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারত ইতিমধ্যেই সিরিজ জিতে গিয়েছে। কিন্তু এই সাফল্যের মাঝে সঞ্জু স্যামসন ব্যর্থ। তিনটে ম্যাচে ১০, ৬, ০ করেছে। যা উদ্বেগ বাড়িয়েছে তাঁর। চিন্তা বাড়িয়েছে টিম ম্যানেজমেন্টের।
২০২৫ সাল থেকে নয়টি ইনিংসে মাত্র একবার পাওয়ার প্লে পার করেছেন স্য়ামসন। গড় মাত্র ১১.৫৫। ঈশান কিষাণ আবার ওপেনারের ভূমিকা নেমে সফল। রানও পাচ্ছেন। ফলে ওপেনার হিসেবে কোন জুটিকে খেলানো হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে টিম ম্যানেজমেন্টকে। যদিও অজিঙ্কা রাহানে ও রবিচন্দ্রন অশ্বিনের মতো ক্রিকেটাররা পাশে দাঁড়িয়েছেন স্যামসনের। তাঁদের মতে, ঘনঘন পরিবর্তন করায় ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। আপাতত ভারত স্যামসনের উপরই ভরসা রাখছে। তবে ফর্মের দিকে তাকিয়ে বিশ্বকাপের আগে সিদ্ধান্ত যে বদলও হতে পারে তাই বলাই বাহুল্য।
