Hardik Pandya, Ruturaj Gaikwad: দুই মাঠে দুই ছবি, ঝড়ের নাম হার্দিক, দায়িত্ব কাঁধে সেঞ্চুরি ঋতুরাজের!
Vijay Hazare Trophy: অনেকদিন পর ঘরোয়া ওয়ান ডে-তে দেখা যাচ্ছে হার্দিককে। সাদা বল স্পেশালিস্ট ফর্ম্যাট যে মাথায় রাখেন না, চণ্ডীগড় ম্যাচেও তার প্রমাণ মিলল। বরোদার হয়ে তিন নম্বরে নামা প্রিয়াংশু মলিয়া চমৎকার সেঞ্চুরি করে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন শুরুতেই। বাকি কাজটা সারলেন হার্দিক।

এক দিকে ঝড়। অন্য দিকে দায়িত্বশীল ক্যাপ্টেন। এক দিকে ছয়ের বন্যা। অন্য দিকে খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে বের করে নিয়ে আসা। প্রায় ৯০০ কিমি দূরত্ব দুই স্টেডিয়ামের। কিন্তু জয়পুর আর রাজকোটে ধরা পড়ল ক্রিকেটের দুই রঙ। জয়পুরে নায়কের নাম ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। যিনি মহারাষ্ট্রের ক্যাপ্টেন। আর রাজকোটের নায়কের নাম হার্দিক পান্ডিয়া। দুই তারকার ব্যাটেই রান দেখা গেল। ঋতুরাজ পেলেন সেঞ্চুরি। হার্দিক তা হয়তো পেলেন না। তবে বিস্ফোরণ থাকল।
অনেকদিন পর ঘরোয়া ওয়ান ডে-তে দেখা যাচ্ছে হার্দিককে। সাদা বল স্পেশালিস্ট ফর্ম্যাট যে মাথায় রাখেন না, চণ্ডীগড় ম্যাচেও তার প্রমাণ মিলল। বরোদার হয়ে তিন নম্বরে নামা প্রিয়াংশু মলিয়া চমৎকার সেঞ্চুরি করে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন শুরুতেই। বাকি কাজটা সারলেন হার্দিক। সঙ্গী থাকলেন জীতেশ শর্মা। ৩১ বলে বিস্ফোরক ৭৫ করেন হার্দিক। মেরেছেন ৯টা ছয় ও ২টো চার। জীতেশও ৩৩ বলে ৭৩ করেন। এই দু’জনের ঝড়েই খড়কুটোর মতো উড়ে গেল চণ্ডীগড়ের বোলাররা। এই পরতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩৯১ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বরোদা।
গোয়ার বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্র ম্যাচের গল্পটা অন্যটা হতে পারত। হল না ঋতুরাজের জন্য। মাত্র ৫২ রানে ৬ উইকেট পড়ে যায়। এখান থেকে ফিরে যে বেশ কঠিন কাজ, তা আর বলে দিতে হবে না। কিন্তু এই কঠিন কাজটাই দায়িত্ব নিয়ে করলেন ঋতুরাজ। একদিকে দাঁড়িয়ে থেকে তিনি চমৎকার সেঞ্চুরি করেন। গোয়ার যে বোলারদের মহারাষ্ট্রের টপ অর্ডার ব্যাটাররা সামলাতে পারেননি, তাদেরই মাথায় উঠতে দেননি ঋতুরাজ। ১৩১ বলে নট আউট ১৩৪ করেন। ৮টা চার ও ৬টা ছয় মেরেছেন। ফের রান পাননি ওপেনার পৃথ্বী শ। ঋতুরাজের সঙ্গ দেন ভিকি ওস্তওয়াল। ৮২ বলে তিনি ৫৩ করেন। শেষ পর্যন্ত ২৪৯-৭ তুলেছে মহারাষ্ট্র।
