
ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অবিশ্বাস্য ফর্মে ছিলেন যশস্বী জয়সওয়াল। প্রথম ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এক টেস্ট সিরিজে ৭০০ কিংবা তার বেশি রানের রেকর্ড গড়েছেন। গত বারের আইপিএলেও অনবদ্য ফর্মে ছিলেন। কিন্তু এ বারের আইপিএলে ফর্ম খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন যশস্বী জয়সওয়াল। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বাজ়বলের জায়গায় দেখা গিয়েছিল জ্যাজ়বল। আইপিএলে সেই ফর্ম জারি থাকবে এমনটাই প্রত্যাশা ছিল। বেশ কিছু ম্যাচে বিধ্বংসী শুরু করলেও বড় ইনিংস গড়তে পারছিলেন না। অবশেষে প্রত্যাবর্তন। একেবারে অপরাজিত সেঞ্চুরিতে।
জাতীয় দলের কোচ রাহুল দ্রাবিড় বলেছিলেন, আপাতত তিন ফরম্যাটে রোহিত-যশস্বী জুটিকেই ওপেনিংয়ে দেখা যাবে। যদিও যশস্বীর ফর্ম যেমন রাজস্থান রয়্যালস শিবিরে হতাশার ছিল, তেমনই ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টেরও। পরিস্থিতি অনেকটা বদলে গিয়েছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওপেনিংয়ে দেখা যেতে পারে রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলিকে। ওপেনিংয়ে বিকল্প হিসেবে কে থাকবেন! এই নিয়ে এখনও প্রশ্ন আছে। যশস্বীর সেঞ্চুরির ইনিংস অবশ্য জোর দাবি তুলে দিল।
হাফসেঞ্চুরির পরই তাঁর ক্যাচ ফসকেছিল। এরপর আর আটকানো যায়নি। আইপিএল কেরিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করেন যশস্বী। দুটোই মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে। একই টিমের বিরুদ্ধে জোড়া সেঞ্চুরির রেকর্ড হাতে গোনা কয়েকজনের রয়েছে। ম্যাচ শেষে যশস্বীর প্রাপ্তি জাতীয় দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মার আলিঙ্গন। বিশ্বকাপের সম্ভাবনা কি বাড়ল যশস্বীর? ফর্মে ফেরার রেসিপি খোলসা করলেন রাজস্থান রয়্যালসের এই তরুণ ওপেনার।
হার্দিকদের বিরুদ্ধে ৬০ বলে ১০৪ রানের অপরাজিত ইনিংস। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারানোর পর যশস্বী বলেন, ‘ইনিংসটা উপভোগ করেছি। একটা বিষয়েই ফোকাস ছিল, ক্রিকেটীয় শট খেলেই এগনোর চেষ্টা করব। নিজের ইতিবাচক দিকগুলোতেই নজর দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কোনও দিন সাফল্য আসবে, কোনও দিন আসবে না। এত জটিল করে কিছু ভাবছি না।’