থাকছে না জিওহটস্টার , এ বার ফ্যানকোডে আইএসএল!
১৪ই ফেব্রুয়ারি থেকেই শুরু হতে চলেছে লিগ। কিন্তু বাকি ছিল টিভি ও ওটিটি সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রি। ২০২৫-২৬ আইএসএলের সম্প্রচারের জন্য সোমবার সকাল ১১টার মধ্যে সমস্ত সংস্থাকে বিড পেপার জমা দেওয়ার অনুরোধ করেছিল ফেডারেশন। যদিও এই বারের টেন্ডারের নিয়মে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়। যেমন, টিভি স্বত্ব এবং ডিজিটাল স্বত্ব আলাদা করে কেনা যাবে। সম্প্রচারের জন্য সবচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখিয়েছিল সোনি স্পোর্টস। কিন্তু স্বল্পমেয়াদি চুক্তিতে আগ্রহী ছিল না তারা।

কলকাতা : বহু টালবাহানার পর অবশেষে শুরু হতে চলেছে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ। সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসেই শুরু হয়ে যায় ভারতের প্রথম সারির এই ফুটবল লিগ। কিন্তু এই বছর নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৫ মাস পর মাঠে নামতে চলেছেন দিমিত্রি পেত্ৰাতোস, সিভেরিও তোরোরা। বেশ কয়েক বছর ধরেই আইএসএলের মান ক্রমশ পড়ছে। দশম বছরে ছিল না কোন হেড স্পনসরও । তার মধ্যেই গতবছর মোহনবাগান সুপারজায়েন্ট ইরান যেতে অস্বীকার করায় আরও সঙ্কটজনক পরিস্থিতি তৈরী হয় এআইএফএফ এর জন্য। দুই বছরের জন্য এএফসি ব্যান করে দেয় বাগানকে। এর মধ্যে আবার আইএমজিআরের সঙ্গে চুক্তি শেষ হতেই নানা জটিলতার মুখে পড়ে সর্বভারতীয় ফেডারেশন। এফএসডিএল স্পন্সরশিপের জন্য বিড না করায় অকুল পাথারে পড়ে। প্রশ্ন উঠে যায় লিগের ভবিষ্যৎ নিয়ে। অবশেষে ফেডারেশনই সিঙ্গল লেগে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
১৪ই ফেব্রুয়ারি থেকেই শুরু হতে চলেছে লিগ। কিন্তু বাকি ছিল টিভি ও ওটিটি সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রি। ২০২৫-২৬ আইএসএলের সম্প্রচারের জন্য সোমবার সকাল ১১টার মধ্যে সমস্ত সংস্থাকে বিড পেপার জমা দেওয়ার অনুরোধ করেছিল ফেডারেশন। যদিও এই বারের টেন্ডারের নিয়মে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়। যেমন, টিভি স্বত্ব এবং ডিজিটাল স্বত্ব আলাদা করে কেনা যাবে। সম্প্রচারের জন্য সবচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখিয়েছিল সোনি স্পোর্টস। কিন্তু স্বল্পমেয়াদি চুক্তিতে আগ্রহী ছিল না তারা। তারা চেয়েছিল ভারতীয় ফুটবলের সম্প্রচারের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করতে। এ ছাড়াও দরপত্র জমা করেছিল জিওহটস্টার এবং ফ্যান কোড। এত বছর জিওহটস্টারেই দেখানো হয়েছে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ।
ডিজিটাল স্ট্রিমিংয়ের জন্য ৫ কোটি টাকার বিড জমা করেছিল জিওহটস্টার। প্রোডাকশন, টিভি সম্প্রচার ও ডিজিটাল স্ট্রিমিংয়ের জন্য প্রায় ৯ কোটি টাকার বিড জমা দেওয়া হয় ফ্যানকোডের তরফ থেকে। এ দিকে শুধুমাত্র প্রোডাকশনের জন্য প্রায় ১০ কোটি টাকার বিড জমা করেছিল স্পোর্টস ওয়ার্কজ নামে আর একটি সংস্থা। এ ছাড়াও প্রোডাকশন করতে আগ্রহী হয়েছিল কেপিএস ষ্টুডিও। যারা এর আগে ৬বার ডুরান্ড কাপ ও গত মরসুমের কলকাতা প্রিমিয়ার লিগ সম্প্রচার করেছে।
শেষ মুহূর্তে আইএসএলের ডিজিটাল স্বত্ত্ব পেল ফ্যানকোড। অর্থাৎ ফ্যানকোডের অ্যাপেই দেখা যাবে আগামী মরসুমের ইন্ডিয়ান সুপার লিগ। সব ঠিক থাকলে হয়তো টিভিতে খেলা দেখানো হতে পারে সোনির চ্যানেলে। তবে তা এখনও নিশ্চিত নয়। কারণ, ফ্যানকোড এবং সোনি একসঙ্গে বিড করেছিল। প্রোডাকশন স্বত্ত্ব পেয়েছে কেপিএস ষ্টুডিও। এই সংস্থার প্রোডাকশনের মাধ্যমেই দেখানো হবে এই বছরের লিগ।
