AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

সিকন্দর রাজা থেকে রেহান আহমেদ, ইউরোপ-আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের জার্সি গায়ে মাঠে নামছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা!

সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দলেই রয়েছেন ৮ জন পাকিস্তানি ক্রিকেটার। তাঁদের মধ্যে পেসার মুহাম্মদ জাওয়াদ-উল্লাহর গল্প কিন্তু হার মানাবে সিনেমাকেও। ২০২০ সালে ইলেকট্রিক মিস্ত্রির কাজ করতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি তিনি। সারাদিন তার ও বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজ করে যা সময় পেতেন, পড়ে থাকতেন বাইশ গজে। সেই লড়াই আজ তাঁকে বিশ্বকাপের মঞ্চে পৌঁছে দিয়েছে।

সিকন্দর রাজা থেকে রেহান আহমেদ, ইউরোপ-আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের জার্সি গায়ে মাঠে নামছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা!
Image Credit: Getty Images
| Edited By: | Updated on: Feb 07, 2026 | 2:57 PM
Share

কলকাতা: ক্রিকেট এখন মানচিত্রে আঁকা সীমান্ত বা কাঁটাতারে আটকে নেই। জার্সি বদলেছে, বদলেছে দেশের নাম; তবে শিকড় কিন্তু বদলায়নি। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে এক অদ্ভুত সমীকরণ দেখছে বিশ্ব। ভারত ও শ্রীলঙ্কার স্টেডিয়ামগুলোতে যখন বল গড়াবে, তখন দুই ডজনেরও বেশি পাক-বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার মাঠে নামবেন একাধিক দেশের হয়ে।

সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দলেই রয়েছেন ৮ জন পাকিস্তানি ক্রিকেটার। তাঁদের মধ্যে পেসার মুহাম্মদ জাওয়াদ-উল্লাহর গল্প কিন্তু হার মানাবে সিনেমাকেও। ২০২০ সালে ইলেকট্রিক মিস্ত্রির কাজ করতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি তিনি। সারাদিন তার ও বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজ করে যা সময় পেতেন, পড়ে থাকতেন বাইশ গজে। সেই লড়াই আজ তাঁকে বিশ্বকাপের মঞ্চে পৌঁছে দিয়েছে।

জিম্বাবোয়ের অধিনায়ক সিকান্দর রাজা আরও এক বড় উদাহরণ। শিয়ালকোটের সিকান্দর হতে চেয়েছিলেন পাইলট। কিন্তু তিনি ক্রিকেটের আকাশ ছুঁলেন জিম্বাবোয়ের হয়ে। ৩৯ বছর বয়সেও সেই দলের অন্যতম কান্ডারি তিনিই। নেদারল্যান্ডসের সাকিব ক্রিকেট খেলছেন পারিবারিক পরম্পরার সঙ্গেই। এ ছাড়াও ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ ও রেহান আহমেদরা এখন ইংল্যান্ড ক্রিকেটের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, পাকিস্তানে প্রতিভার অভাব নেই। অভাব শুধুমাত্র সঠিক সুযোগের। আর সিএ শূন্যস্থান পূরণ করেছে গ্লোবাল ক্রিকেট। দেশের আবেগের থেকেও তাঁদের কাছে বড় হয়ে যায় পারফর্ম করার তাগিদ। এবারের টি-২০ বিশ্বকাপ প্রমাণ করছে ক্রিকেট এখন শুধুমাত্র দেশগুলোর মধ্যেই খেলা হয় না। সীমান্তের কাঁটাতার পার করে ক্রিকেট এখন এক করে দিচ্ছে গোটা বিশ্বকে।