ICC New Guidelines: মা হওয়ার পরও থামবে না ক্রিকেট কেরিয়ার, মহিলা ক্রিকেটারদের জন্য নতুন গাইডলাইন আইসিসির!
ICC : আইসিসির সুপারিশ অনুযায়ী, প্রতিটি গর্ভবতী ক্রিকেটারের জন্য একজন বিশেষ 'কেস ম্যানেজার' নিয়োগ করা হবে। সাধারণত, কোনও চিকিৎসক বা ফিজিও এই দায়িত্বপালন করবেন। তিনি পুরো সময়টাই সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন ও নানা সহায়তা করবেন।

কলকাতা : মহিলা ক্রিকেটারদের জন্য বড় উদ্যোগ নিল আইসিসি (ICC)। গর্ভাবস্থা, সন্তানের জন্ম দেওয়া ও তারপর আবার ক্রিকেটের ফেরার পথকে সহজ করতে নতুন ‘রিটার্ন টু প্লে পোস্ট প্রেগন্যান্সি গাইডলাইন’ (Return to play post pregnancy) চালু করতে চলেছে আইসিসি। খেলতে খেলতে যেন কোনও ক্রিকেটারের গর্ভাবস্থা সংক্রান্ত কোনও অসুবিধে না হয়, তা নিশ্চিত করবে এই গাইডলাইন।
এর মূল লক্ষ্য হল, কোনও ক্রিকেটার যেন মাতৃত্ব ও কেরিয়ার – এই দুটির মধ্যে একটিকে বেছে নিতে বাধ্য না হন। আইসিসির মেডিক্যাল অ্যাডভাইজরি কমিটি এবং অস্ট্রেলিয়া মহিলা দলের চিকিৎসক ডক্টর ফিলিপা ইঙ্গের নেতৃত্বে এই গাইডলাইন তৈরী হয়েছে। সদস্য দেশগুলিকে নিজেদের আইন ও প্রয়োজন অনুযায়ী নীতি তৈরি করার জন্য একটি মডেলও পাঠিয়েছে আইসিসি।
মোট ৬ ধাপের এই ‘রিটার্ন টু প্লে’ মডেল বানানো হয়েছে। সেগুলি হল – রেডি, রিভিউ, রিস্টোর, রিকন্ডিশন, রিটার্ন ও রিফাইন। অর্থাৎ, সন্তান জন্মের পর ধীরে ধীরে শারীরিক সুস্থতা ফিরে পাওয়া থেকে শুরু করে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন এবং পরবর্তী পর্যবেক্ষণ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া।
আইসিসির সুপারিশ অনুযায়ী, প্রতিটি গর্ভবতী ক্রিকেটারের জন্য একজন বিশেষ ‘কেস ম্যানেজার’ নিয়োগ করা হবে। সাধারণত, কোনও চিকিৎসক বা ফিজিও এই দায়িত্বপালন করবেন। তিনি পুরো সময়টাই সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন ও নানা সহায়তা করবেন। এছাড়াও তাঁর অনুশীলনের অনুকূল পরিবেশ, শিশুর পরিচর্যার সুবিধা, সফরে সহায়তা, মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উপর জোর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে আইসিসি। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের মহিলা ক্রিকেটার অফি ফ্লেচার। আইসিসির আশা, এই নতুন উদ্যোগের ফলে বিশ্বজুড়ে মহিলা ক্রিকেটারদের আরও নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদি কেরিয়ার হবে।
