AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

চোটে শেষ হয়ে যাচ্ছিল কেরিয়ার, ফাইনালে অবাক গোলে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন কৌস্তভের!

কৌস্তভের উঠে আসা রিলায়েন্সের যুব দল থেকে। সেখান থেকে সুযোগ পান হায়দ্রাবাদ এফসির যুব দলে। করোনাকালে ফেরেন কলকাতায়। কালীঘাটে তাঁর ভালো পারফরম্যান্স দেখে তাঁকে দলে নেয় ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু চোট আঘাতে জর্জরিত হয়ে প্রায় শেষই হয়ে যেতে বসেছিল তাঁর ফুটবল জীবন। সেখান থেকেই সুযোগ মেলে বেঙ্গল সুপার লিগে।

চোটে শেষ হয়ে যাচ্ছিল কেরিয়ার, ফাইনালে অবাক গোলে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন কৌস্তভের!
Image Credit: X , Instagram
| Edited By: | Updated on: Feb 03, 2026 | 1:17 PM
Share

সোমনাথ ব্যানার্জি

কলকাতা: ময়দান তারকার উত্থান দেখে অভ্যস্ত। তাঁদের ঘিরে উদযাপনেও। এবার এক নতুন তারকার আশ্চর্য গোলের সাক্ষী থাকল ময়দান। ম্যাচের ফল তখন ২-২, কল্যাণী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বেঙ্গল সুপার লিগের ফাইনালে রুদ্ধশ্বাস লড়াই লড়ছে জেএইচআর রয়্যাল সিটি এবং হাওড়া-হুগলি ওয়ারিয়র্সের। যে দলের কোচ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন সবুজ তোতা হোসে রামিরেজ ব্যারেটো। নব্বই মিনিট অবধি স্কোর সমান থাকায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। শেষ মুহূর্তে কর্নার থেকে হাওড়া-হুগলির হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন কৌস্তভ দত্ত। তাঁর বাঁকানো কিকই গোলকিপারের হাত ছুঁয়ে জালে জড়িয়ে যায়। এরপর থেকেই চর্চায় নিউটাউনের এই যুবক।

কৌস্তভের বয়স ২৩। খেলেন মাঝমাঠে। বাবা পাম্প অপারেটরের চাকরি করেন। কৌস্তভের উঠে আসা রিলায়েন্সের যুব দল থেকে। সেখান থেকে সুযোগ পান হায়দ্রাবাদ এফসির যুব দলে। করোনাকালে ফেরেন কলকাতায়। কালীঘাটে তাঁর ভালো পারফরম্যান্স দেখে তাঁকে দলে নেয় ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু চোট আঘাতে জর্জরিত হয়ে প্রায় শেষই হয়ে যেতে বসেছিল তাঁর ফুটবল জীবন। সেখান থেকেই সুযোগ মেলে বেঙ্গল সুপার লিগে। হাওড়া-হুগলির হয়ে টুর্নামেন্টে করেছেন মোট ৪ গোল। তবে সব কিছুকে ছাপিয়ে গিয়েছে ফাইনালে তাঁর অবাক করা গোল। শেষ মুহূর্তে করা তাঁর অলিম্পিক গোলের সৌজন্যে প্রথম মরসুমেই খেতাবের স্বাদ পেলেন ব্যারেটো ও তাঁর দল। ফাইনালের পর থেকে ময়দানের চর্চায় কৌস্তভ। প্রস্তাব রয়েছে আই লিগের ক্লাবে খেলার।

আইএসএল শুরু হয়নি। ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিরাট প্রশ্নচিহ্ন। শুরু থেকে তাই যাবতীয় আকর্ষণের কেন্দ্রে ছিল এই টুর্নামেন্ট। মোট ৮টি দল অংশগ্রহণ করেছিল এই টুর্নামেন্টে। যেখানে জয়ী হল হাওড়া-হুগলি ওয়ারিয়র্স। দলের সভাপতি রাজীব বন্দোপাধ্যায়ের লক্ষ্য, বাংলার এই দলকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। অন্য দিকে কৌস্তভ চান, নিজের ফুটবল কেরিয়ারের পালে হাওয়া লাগাতে।