Imam Ul Haq Injury: প্রথমে কালি দিয়ে কালশিটের দাগ, এবার নকল চোট! মাঠ থেকে ‘পালিয়ে’ বিপাকে ইমাম?
Pakistan Cricket: অতীতে একই কাজ করেছিলেন ইমাম। ২০২৫ সালে নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে নেটে গোড়ালিতে চোট লাগে তাঁর। পরে দেখা যায় গোড়ালি নীল হয়ে গিয়েছে তাঁর। পরীক্ষা করতে গিয়ে চিকিৎসকরা জানান, কালশিটে ফুটিয়ে তুলতে নীল পেনের কালি দিয়ে গোড়ালি রং করেছিলেন ইমাম। তাঁর কোনও চোট ছিল না।

কলকাতা : ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে চোটের কারণে দুই ইনিংসেই ব্যাট করতে পারেননি পাকিস্তানের ওপেনার ইমাম-উল-হক। এই নিয়েই এবার তদন্তের মুখে বসতে হবে তাঁকে। তাঁর কাফ মাসলের চোট নিয়ে পিসিবি-র জরুরি তদন্তের কমিটির সামনে মুখোমুখি বসাতে হতে পারে ইমামকে। তদন্ত কমিটির সামনে নিজের যুক্তি সাজাতে ইমাম ইতিমধ্যেই আইনি পরামর্শ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।
ইংল্যান্ড বনাম পাকিস্তান টেস্টে প্রথম ইনিংসে ফিল্ডিং করার সময় চোট পান ইমাম। পরে পিসিবি জানায়, তাঁর পেশী ছিঁড়ে গিয়েছে এবং প্রায় ১০ দিন বিশ্রামের প্রয়োজন। সেই কারণেই দ্বিতীয় টেস্টের দুই ইনিংসেই ব্যাট করতে পারেননি তিনি। পায়ের মাসলে টেপ লাগানো ছিল তাঁর। এরপরেই ইমামের কঠোর সমালোচনা করেন প্রাক্তন ইংরেজ বোলার স্টুয়ার্ট ব্রড। তিনি বলেন, “অতীতেও ঋষভ পন্থ, নাথান লায়ন, ক্রিস ওকসরা চোট নিয়ে ব্যাট করতে নেমেছিলেন। এমনকি গত বছর ওকস ভারতের বিরুদ্ধে এক হাত মুড়ে এক হাতে ব্যাট করতে নেমে পড়েছিলেন, যার প্রশংসা করেছিল গোটা ক্রিকেট দুনিয়া। তাহলে ইমাম নামলেন না কেন? এই ভাবে যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার অর্থ কী?”
যদিও অতীতে এক কাজ করেছিলেন ইমাম। ২০২৫ সালে নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে নেটে গোড়ালিতে চোট লাগে তাঁর। পরে দেখা যায় গোড়ালি নীল হয়ে গিয়েছে তাঁর। পরীক্ষা করতে গিয়ে চিকিৎসকরা জানান, কালশিটে ফুটিয়ে তুলতে নীল পেনের কালি দিয়ে গোড়ালি রং করেছিলেন ইমাম। তাঁর কোনও চোট ছিল না। গোড়ালির চোটের বাহানা দিয়ে না খেলেই বসে থাকতে চাইছিলেন তিনি।
যদিও সম্প্রতি পাকিস্তান দল ৭ জন ক্রিকেটারকে হঠাৎ করে দেশে পাঠিয়ে দেন। এদের মধ্যে রয়েছেন ইমাম নিজেও। গতকালই দেশে ফিরেছেন তিনি। পিসিবির একটি সূত্রের খবর, “আদৌ তাঁর চোট লেগেছে কিনা, এই বিষয়ে উপযুক্ত প্রমাণ নিয়ে তাঁকে বোর্ডের তদন্ত কমিটির সামনে হাজির হতে হবে।” উপযুক্ত প্রমাণ যদি তিনি দিতে না পারেন, তাহলে হয়ত পাকাপাকিভাবে পাকিস্তান দলের দরজা তাঁর জন্য বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
