AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Chinmay Sutar: ওয়ার্নের বিরুদ্ধে খেলেছিলেন বাবা, রঞ্জিতে তাঁর ছেলের ব্যাট থেকেই এল ৪০০ রান

Ranji Trophy: তাঁর ক্রিকেটজীবনের গল্পে তাঁর বাবা রাজেশ সুতারের ভূমিকা খুব বড়। নব্বইয়ের দশকে মুম্বই ক্রিকেটে ছক্কা মারার দক্ষতার জন্য পরিচিত ছিলেন তিনি। মুম্বইয়ের হয়ে ৭টি রঞ্জি ও ৩০টি লিস্ট এ ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ভারতীয় দলে খেলতে না পারলেও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর একটি ইনিংস ক্রিকেটমহলে বেশ পরিচিত ছিল

Chinmay Sutar: ওয়ার্নের বিরুদ্ধে খেলেছিলেন বাবা, রঞ্জিতে তাঁর ছেলের ব্যাট থেকেই এল ৪০০ রান
চিন্ময় সুতারImage Credit: Instagram
| Edited By: | Updated on: Oct 25, 2026 | 4:38 PM
Share

কলকাতা: ৯২ বছরের রঞ্জি ট্রফির ইতিহাসে মাত্র ২য় ব্যাটার হিসেবে ৪০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন চিন্ময় সুতার। মিজোরামের হয়ে অপরাজিত ৪০০ রান করে ক্রিকেটবিশ্বের নজর করেছেন ২৯ বছরের এই ব্যাটার। তাঁর আগে এই কীর্তি ছিল শুধু মহারাষ্ট্রের বিবি নিম্বলকরের। তবে চিন্ময় এই ঐতিহাসিক ইনিংসের পিছনে রয়েছে দীর্ঘ লড়াই ও ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এক পারিবারিক ইতিহাস। মিজোরামের হয়ে ব্যাট করতে নেমে ৪০০ রানে অপরাজিত থাকেন চিন্ময়। ১৯৪৮-৪৯ সালে মহারাষ্ট্রের হয়ে কাঠিয়াওয়ারের বিরুদ্ধে ৪৪৩ রানে অপরাজিত ছিলেন বিবি। এত বছর পর দ্বিতীয়বার কোনও ব্যাটার ৪০০ রানের গন্ডি পেরোলেন। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটেও এই কীর্তি বিরল। ২০০৪ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্টে ব্রায়ান লারা ৪০০ রানে অপরাজিত থাকার পর থেকে আর কোনও ব্যাটার প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ৪০০ করেননি।

প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ম্যাচে ৯৯ রানে আউট হয়েছিলেন তিনি। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, শতরান করার পরেই তাঁর মনের উপর থেকে বড় চাপ নেমে যায়। এরপর আর ২০০ বা ৩০০ রানের কথা ভাবেননি তিনি। বরং দলের জন্য যত বেশি সম্ভব রান করাই ছিল তাঁর লক্ষ্য। ৬ নম্বরে ব্যাট করতে নাম জেহু অ্যান্ডারসনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ১৬৮ রানের পার্টনারশিপ করেন তিনি। এরপরেই মিজোরামের ব্যাটিংয়ে ধস নামে। যদিও শেষ উইকেটে চিন্ময়ের পাশে এসে দাঁড়ান লালরেমপুইয়া ছাকচুয়াক। তাঁদের এই লড়াই আরও মাহাত্ম্য পায় কারণ শেষ উইকেটে ১৮৯ রান তোলেন এই দুই ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত চিন্ময় ৪০০ করতেই ইনিংস ডিক্লেয়ার করে মিজোরাম। দলের স্কোর তখন ৫৮১।

যদিও এখানে তাঁর বাবার কথা উল্লেখযোগ্য। তাঁর ক্রিকেটজীবনের গল্পে তাঁর বাবা রাজেশ সুতারের ভূমিকা খুব বড়। নব্বইয়ের দশকে মুম্বই ক্রিকেটে ছক্কা মারার দক্ষতার জন্য পরিচিত ছিলেন তিনি। মুম্বইয়ের হয়ে ৭টি রঞ্জি ও ৩০টি লিস্ট এ ম্যাচ খেলেছেন তিনি।

ভারতীয় দলে খেলতে না পারলেও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর একটি ইনিংস ক্রিকেটমহলে বেশ পরিচিত ছিল। ১৯৯৮ সালে স্টিভ ওয়ার অস্ট্রেলিয়া ভারত সফরে এলে মুম্বইয়ের হয়ে একটি প্রস্তুতি ম্যাচে সচিনের সঙ্গে ব্যাট করেছিলেন রাজেশ। সামনে ছিলেন কিংবদন্তি স্পিনার শেন ওয়ার্ন। তাঁকে পিটিয়েই শেষ ১৫ ওভারে ৯৭ রান তোলেন রাজেশ ও সচিন। ৪৩ বলে ৪৫ রান করেছিলেন তিনি। অন্যদিকে, সচিন অপরাজিত ছিলেন ২০৪ রানে। বাবা ক্রিকেটার থাকার ফলে ক্রিকেটের সঙ্গে ছোট থেকেই পরিচিত চিন্ময়। ক্রিকেটই যেন তাঁদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। মিজোরামের হয়ে ৪০০ রান করে ইতিহাসের পাতায় নাম তুলে ফেলেছেন তিনি। কিন্তু এবার নিজেকে আরও বড় মঞ্চে প্রতিষ্ঠা করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।

Follow Us