AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

ভারত-নিউজিল্যান্ড ফাইনালে ব্যাটারদের দাপটের ইঙ্গিত!

স্টেডিয়ামের মাঝের যে স্ট্রিপটি ফাইনালের জন্য নির্ধারিত হয়েছে, সেটি সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু হাই-স্কোরিং ম্যাচের সাক্ষী। নিয়ম অনুযায়ী টুর্নামেন্টের বড় ম্যাচের পিচ আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে। সেই অনুযায়ী এই পিচেই খেলবে দুই দল। ২০২৪ সাল থেকে এই পিচে হওয়া ম্যাচগুলোর পরিসংখ্যান বলছে, রান তাড়া করা দল কিছুটা বেশি সুবিধা পেয়েছে। মোট আটটি ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতে জিতেছে দ্বিতীয় ব্যাট করা দল।

ভারত-নিউজিল্যান্ড ফাইনালে ব্যাটারদের দাপটের ইঙ্গিত!
Image Credit: Getty Images
| Edited By: | Updated on: Mar 08, 2026 | 4:09 PM
Share

কলকাতা: বিশ্বকাপ ২০২৬ এর ফাইনাল ম্যাচে, রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। বড় ম্যাচের আগে স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার কেন্দ্রে এখন পিচ রিপোর্ট। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ম্যাচে পিচই ব্যাটারদেরই কিছুটা বাড়তি সুবিধা দিতে পারে। নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে এবারের বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই ছয়টি ম্যাচ হয়েছে। ভারত-নিউজিল্যান্ড ফাইনাল হবে সপ্তম ম্যাচ। তবে ম্যাচের আগে আলোচনার বড় বিষয় হয়ে উঠেছে এখানকার মাটির ধরন। কারণ বিশ্বের খুব কম স্টেডিয়ামেই একসঙ্গে লাল ও কালো মাটির পিচ ব্যবহার করা হয়। আহমেদাবাদের এই মাঠে সেই দুই ধরনের মাটির স্ট্রিপই রয়েছে। ফাইনালের জন্য যে পিচটি বেছে নেওয়া হয়েছে, সেটি মূলত মিশ্র মাটির। তবে লাল মাটির অনুপাত কিছুটা বেশি থাকবে বলে জানা গিয়েছে। সাধারণত লাল মাটির পিচে বাউন্স ভালো হয় এবং বল ব্যাটে সুন্দরভাবে আসে। ফলে ব্যাটাররা বড় শট খেলতে সুবিধা পান।

স্টেডিয়ামের মাঝের যে স্ট্রিপটি ফাইনালের জন্য নির্ধারিত হয়েছে, সেটি সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু হাই-স্কোরিং ম্যাচের সাক্ষী। নিয়ম অনুযায়ী টুর্নামেন্টের বড় ম্যাচের পিচ আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে। সেই অনুযায়ী এই পিচেই খেলবে দুই দল। ২০২৪ সাল থেকে এই পিচে হওয়া ম্যাচগুলোর পরিসংখ্যান বলছে, রান তাড়া করা দল কিছুটা বেশি সুবিধা পেয়েছে। মোট আটটি ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতে জিতেছে দ্বিতীয় ব্যাট করা দল। আর তিনটিতে জয় এসেছে প্রথমে ব্যাট করা দলের। গত আইপিএল ফাইনালেও এই পিচ ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ১৯০ রান রক্ষা করতে পেরেছিল। আবার একই পিচে এক ম্যাচে পাঞ্জাব কিংস ২৪৩ রান তুলেছিল এবং মাত্র ১১ রানে জিতেছিল। ফলে বোঝাই যাচ্ছে, বড় স্কোর এই উইকেটে অস্বাভাবিক কিছু নয়।

চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও এই পিচে, দক্ষিণ আফ্রিকা সহজেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের লক্ষ্য তাড়া করে জয় পেয়েছিল। সেই ম্যাচও ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ব্যাটারদের জন্য রান করার সুযোগ থাকবে। এছাড়া নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামের বাউন্ডারিও তুলনামূলকভাবে খুব বড় নয়। স্কোয়ার বাউন্ডারি প্রায় ৬১ ও ৬৭ মিটার। আর সোজা বাউন্ডারি প্রায় ৭৩ মিটার। ফলে বড় শট খেলার সুযোগও থাকবে। তবে পিচের থেকেও বড় ফ্যাক্টর হতে পারে রাতের আবহাওয়া। আহমেদাবাদে সন্ধ্যার ম্যাচে প্রচুর শিশির পড়তে দেখা গেছে। ফলে বোলারদের জন্য বল ধরা কঠিন হয়ে যায়। তাই টস জিতে অনেক অধিনায়কই আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিতে নেন। ভারতের জন্য আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে নিউজিল্যান্ডের ওপেনার ফিন অ্যালেন ও টিম সেইফার্টকে দ্রুত আউট করা। সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে এই দুই ব্যাটার যেভাবে ঝড় তুলেছিলেন, তেমনটা হলে ম্যাচের মোড় খুব দ্রুত ঘুরে যেতে পারে।