AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

দুবের ব্যাটে ভর করেই ফাইনালে ঝড়, শুবমন গিলের নামও নিলেন অভিষেক শর্মা!

সঞ্জু স্যামসনের সঙ্গে তাঁর ওপেনিং জুটি ভারতের জন্য দুর্দান্ত শুরু এনে দেয়। পাওয়ারপ্লেতেই দু’জন মিলে ৯৬ রান তুলে ফেলেন। যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে যৌথভাবে সর্বোচ্চ পাওয়ারপ্লে স্কোরের সমান। এই ঝোড়ো শুরুই ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। মজার বিষয় হল, ফাইনালে যে ব্যাট দিয়ে তিনি এমন ইনিংস খেলেছেন, সেটি তাঁর নিজের ছিল না। ম্যাচ শেষে অভিষেক জানিয়েছেন, তিনি শিবম দুবের ব্যাট ব্যবহার করেছিলেন।

দুবের ব্যাটে ভর করেই ফাইনালে ঝড়, শুবমন গিলের নামও নিলেন অভিষেক শর্মা!
Image Credit: Alex Davidson-ICC/ICC via Getty Images
| Edited By: | Updated on: Mar 09, 2026 | 2:24 PM
Share

কলকাতা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আবারও যেন নিজের ছন্দে ফিরছিলেন অভিষেক শর্মা। টানা তিনটি ম্যাচে শূন্য রানে আউট হওয়া, কয়েকটি ধীরগতির ইনিংস, সব মিলিয়ে তরুণ ওপেনারকে নিয়ে সমালোচনা ছিল তুঙ্গে। মাঠে তাঁর একটি বাউন্ডারিতেই দর্শকদের উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছিল। আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফাইনালের আগে খুব কম মানুষই আশা করেছিলেন, যে অভিষেক বড় ভূমিকা নেবেন। কিন্তু রবিবার রাতেই যেন সবকিছু বদলে গেল। ভারতের দলীয় আস্থা যে ভুল ছিল না, তা প্রমাণ করে দিলেন অভিষেক। ফাইনালে প্রায় এক লক্ষ দর্শকের সামনে তিনি খেললেন এক বিস্ফোরক ইনিংস। মাত্র ২১ বলে ৫২ রান করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল ৬টি চার এবং ৩টি ছক্কা। মাত্র ১৮ বলেই হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন অভিষেক।

সঞ্জু স্যামসনের সঙ্গে তাঁর ওপেনিং জুটি ভারতের জন্য দুর্দান্ত শুরু এনে দেয়। পাওয়ারপ্লেতেই দু’জন মিলে ৯৬ রান তুলে ফেলেন। যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে যৌথভাবে সর্বোচ্চ পাওয়ারপ্লে স্কোরের সমান। এই ঝোড়ো শুরুই ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। মজার বিষয় হল, ফাইনালে যে ব্যাট দিয়ে তিনি এমন ইনিংস খেলেছেন, সেটি তাঁর নিজের ছিল না। ম্যাচ শেষে অভিষেক জানিয়েছেন, তিনি শিবম দুবের ব্যাট ব্যবহার করেছিলেন। অভিষেক বলেন, “আজ আমি শিবম দুবের ব্যাট দিয়ে ব্যাটিং করেছি, তাই দুবেকে ধন্যবাদ। সকালে মনে হচ্ছিল একটু অন্য কিছু চেষ্টা করি। শুবমান গিল তখন আশপাশে ছিল না, তাই আমি দুবের কাছে গিয়ে তার ব্যাটটা নিয়ে নিই।” মাত্র ১৮ বলে করা তাঁর হাফসেঞ্চুরি এখন বিশ্বকাপ ইতিহাসের তৃতীয় দ্রুততম রান। তাঁর আগে রয়েছেন যুবরাজ সিং, যিনি ১২ বলে অর্ধশতরান করেছিলেন, এবং ২০২২ সালে মার্কাস স্টোইনিসের ১৭ বলে ৫০ করেছেন।

এই টুর্নামেন্টে শুবমান গিলের অনুপস্থিতিও আলোচনায় ছিল। ভারতের টি-টোয়েন্টি দলের সহ-অধিনায়ক থাকলেও সাম্প্রতিক খারাপ ফর্মের কারণে বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাননি গিল। তাঁর অনুপস্থিতিতেই সুযোগ পান সঞ্জু স্যামসন ও ঈশান কিশানের মতো ক্রিকেটাররা। যাঁরা টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রমাণ করেছেন। ফাইনালের ইনিংসে শুরুটা অবশ্য ধৈর্যের সঙ্গেই করেছিলেন অভিষেক। গ্লেন ফিলিপসের বিরুদ্ধে প্রথম বলটি তিনি রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেলেন। পিচ বুঝে নেওয়ার পরই শুরু হয় তাঁর আক্রমণাত্মক শটের বন্যা। কঠিন সময়ের কথা স্মরণ করে অভিষেক বলেন, “গত এক মাস আমার জন্য খুব কঠিন ছিল। তার আগে দেড় বছর স্বপ্নের মতো কেটেছে। এমন সময়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল আপনার আশপাশের মানুষরা। দলের সবাই আমার ওপর বিশ্বাস রেখেছিল। আমি রান করতে না পারলেও তারা বলত, ও পারবেই।”

Follow Us