Suchika Tariyal: মাত্র ৭০০ গ্রামের জন্য বাদ, এশিয়ানে বিণেশ ফোগটকে মনে করালেন সূচিকা তারিয়াল!
Asian Games 2026: আজ সূচিকা মুখোমুখি হয়েছিলেন সিঙ্গাপুরের হুই হুন তেও-এর। নির্ধারিত রাউন্ডগুলির পর অতিরিক্ত এক মিনিট রাউন্ডেও কেউ কোনও ফল করতে পারেননি। এরপরেই সিঙ্গাপুরের প্রতিযোগীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। সূচিকা সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি ও প্রতিবাদ করেন।

জাপান : বিনাশ ফোগটকে মনে আছে? ২০২৪ অলিম্পিকে ওজনের জন্য ছিটকে গিয়েছিলেন তিনি? নামতেই পারলেন না আর? ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকে ৫০ কেজি ফ্রি স্টাইল ইভেন্টে ফাইনালে উঠেছিলেন তিনি। তবে ফাইনালের আগের দিন সকালে ওজন পরীক্ষা করার সময় দেখা যায় তাঁর ওজন ১০০ গ্রাম বেশি। এরপরেই তাঁকে বাদ দিয়ে দেয় অলিম্পিক কমিটি। ঠিক একই ভয়াবহ স্মৃতি ফিরে এল এমএমএ বক্সার সূচিকা তারিয়ালকে নিয়ে। এই পদকটি অবশ্যই ঐতিহাসিক, কারণ যেভাবে পদকটি পেলেন সূচিকা, তাতে বিতর্ক হওয়ারই কথা।
আজ সূচিকা মুখোমুখি হয়েছিলেন সিঙ্গাপুরের হুই হুন তেও-এর। নির্ধারিত রাউন্ডগুলির পর অতিরিক্ত এক মিনিট রাউন্ডেও কেউ কোনও ফল করতে পারেননি। এরপরেই সিঙ্গাপুরের প্রতিযোগীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। সূচিকা সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি ও প্রতিবাদ করেন। এরপরেই ভারত ফলাফলের রিভিউ করতে চায় ও বিচারকরা ম্যাচের ফুটেজ খুঁটিয়ে দেখেন ও সিদ্ধান্ত নেন যে এটি একটি ড্র ম্যাচ। এরপর নিয়ম অনুযায়ী, সূচিকার তুলনায় ৭০০ গ্রাম হালকা হওয়ায় জয়ী হয়েছেন হুই হুন তেও। এমএমএ স্পোর্টস ফেডারেশনের সভাপতি নিখিল কুন্ডে পিটিআইকে বলেন, “ভারতের পক্ষ থেকে চ্যালেঞ্জ জানানোর পর ম্যাচটি ড্র ঘোষণা করা হয়। এরপর নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিযোগীদের সকালের ওজনের ভিত্তিতে জয়ী নির্ধারণ করা হয়। সিঙ্গাপুরের প্রতিযোগী সূচিকার তুলনায় ৭০০ গ্রাম হালকা ছিলেন। তাই তিনি ফাইনালে উঠলেন ও সূচিকা ব্রোঞ্জ পেলেন।”
নিয়ম কী বলছে?
প্রথমে দেখা হয়, ম্যাচ চলাকালীন দুই প্রতিযোগীর মধ্যে কেউ কোনও ওয়ার্নিং পেয়েছেন কি না। দুজনই যদি ওয়ার্নিং পান, তাহলে তাঁদের দেওয়া অ্যাডভাইস বিবেচনা করা হয়। সেখানেও যদি দুজনের পরিস্থিতি একই থাকে, তাহলে প্রতিযোগিতার আগে তাঁদের ওজন তুলনা করা হয়। সূচিকার ক্ষেত্রে এটাই কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মাত্র ৭০০ গ্রাম ওজন বেশি হওয়ার জন্য তাঁর বিপক্ষকে জয়ী ঘোষণা করে দেওয়া হয়। ফলে তিনি সেমিতেই নিজের যাত্রা শেষ করেন ও হুই হুন তেও Break tie by weight নিয়মে জয়ী হন। যদিও এই পদক পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে তাঁকে কিন্তু সূচিকার এই যাত্রা যে অনুপ্রেরণাদায়ক, তা বলাই বাহুল্য।
