T20 World Cup, Pakistan: টিম হোটেলের মহিলা কর্মীর সঙ্গে অভব্য আচরণ পাক ক্রিকেটারের?
অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছিল শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডি শহরে পাকিস্তানের টিম হোটেলে। বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সুপার এইটের ম্যাচে নামার ঠিক আগে ঘটেছে এই ঘটনা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান দল গোল্ডেন ক্রাউন হোটেলে ছিল। ওই প্রতিবেদনের দাবি, পাকিস্তান বিশ্বকাপ স্কোয়াডের এক ক্রিকেটার হোটেলের এক মহিলা হাউসকিপিং কর্মীর সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন।

কলকাতা: বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে দীর্ঘদিন পা রাখতে পারেনি দল। সিনিয়র, জুনিয়র নির্বিশেষে পারফরম্যান্স অত্যন্ত খারাপ। শেষ চারে উঠতে না পারার দায় বর্তেছে ক্রিকেটারদের উপর। মোটা টাকার জরিমানাও করা হয়েছে। সেই পাকিস্তান এ বার নয়া বিতর্কে। টেলিকম এশিয়া স্পোর্ট-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকা এক পাকিস্তানি ক্রিকেটার শ্রীলঙ্কায় যে হোটেলে ছিল টিম, সেই হোটেলের এক মহিলা কর্মীর সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন। এই অভিযোগে ভিত্তিতে জরিমানার মুখেও পড়েছেন তিনি। এই ক্রিকেটার কে, তা অবশ্য গোপন রাখা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছিল শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডি শহরে পাকিস্তানের টিম হোটেলে। বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সুপার এইটের ম্যাচে নামার ঠিক আগে ঘটেছে এই ঘটনা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান দল গোল্ডেন ক্রাউন হোটেলে ছিল। ওই প্রতিবেদনের দাবি, পাকিস্তান বিশ্বকাপ স্কোয়াডের এক ক্রিকেটার হোটেলের এক মহিলা হাউসকিপিং কর্মীর সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন। ওই কর্মী চিৎকার করে সাহায্য চান। পরে হোটেলের অন্যান্য কর্মীরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন। বিষয়টি পাকিস্তান দলের ম্যানেজার নাভিদ চিমাকে জানানো হয়।
খবর অনুযায়ী, গোল্ডেন ক্রাউন হোটেলের সিনিয়র কর্তারা ওই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। তবে শেষ পর্যন্ত বিষয়টি অভ্যন্তরীণভাবেই মিটিয়ে ফেলা হয়। নাভিদ চিমা হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছে ওই ক্রিকেটারের হয়ে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন। ক্রিকেটারের অশোভন আচরণের জন্য বড় টাকার জরিমানাও করা হয়। অভিযুক্ত ক্রিকেটারের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। তবু বিষয়টি এখানেই শেষ হয়ে যায়নি বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দল দেশে ফেরার পর এই ঘটনার আরও তদন্ত হতে পারে।
ওই খবরে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ক্রিকেটারকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের শৃঙ্খলা কমিটির সামনে হাজির হতে বলা হতে পারে। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তাঁর বিরুদ্ধে আরও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন কিনা। এই বিতর্ক সামনে আসে বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর পরই। শেষ সুপার এইট ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৫ রানে হারালেও নেট রান রেটের কারণে সেমিফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয় পাকিস্তান। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই দলের পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা চলছিল। বিশেষ করে সুপার এইট পর্যায়ে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে না পারায় কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয় দলকে। এর মধ্যেই মাঠের বাইরের ঘটনা পাকিস্তানের মুখ আরও পুড়িয়েছে।
