Jamshedpur FC Shutdown: ‘চুক্তির পুরো টাকা পাবেন ফুটবলাররা…’, জামশেদপুর এফসি ইস্যুতে বড় ঘোষণা টাটা স্টিলের!
Indian Football: টাটা স্টিলের লক্ষ্য কখনওই খেলাধুলো থেকে আয় করা ছিল না। বরং তারা চেয়েছিল, ফুটবলারদের সুযোগ করে দেওয়া, ক্রীড়া সংস্কৃতির প্রসার ঘটানো ও ভবিষ্যতের প্রতিভা তৈরি করা। এই দর্শন নিয়েই এত বছর ধরে জামশেদপুর এফসি কে চালানো হয়েছে।

রায়পুর: যেদিন থেকে জামশেদপুর এফসি বন্ধ করার খবর এসেছে, সেদিন থেকেই চূড়ান্ত চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে সংবাদমাধ্যমে। এই খবর প্রকাশ হওয়ার পরিয়ে উদ্বিগ্ন সমস্ত খেলোয়াড়রা, দলের সমর্থকরা। দিন কয়েক আগেই দলের খেলোয়াড়রা সোশ্যাল মিডিয়ার ভিডিও বার্তায় ক্লাব কর্তৃপক্ষকে সিদ্ধান্ত নিয়ে আবার ভেবে দেখার কথা বলেছেন। এমনকি গোটা দেশের ফুটবলপ্রেমীরা অনলাইন পিটিশন করেছিলেন। এবার এর মধ্যেই আবার একটি বড় খবর সামনে এসেছে।
টাটা স্টিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিবি সুন্দর রমন একটি সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন, ক্লাব নিয়ে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণ টাটা স্টিল গ্ৰুপের পরিচালন সমিতির। তিনি বলেছেন,“এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে টাটা স্টিলের বোর্ডের। এর সঙ্গে কোনও ধরণের আর্থিক অনিয়ম বা হিসাব গরমিলের সম্পর্ক নেই। যদিও, সংস্থার পক্ষ থেকে ফুটবলারদের বর্তমান চুক্তির সমস্ত শর্ত পূরণ করা হবে। পাশাপাশি, তাঁদের অন্য ক্লাবে খেলার সুযোগ করে দেওয়ার জন্যও টাটা স্টিল চেষ্টা করবে, যাতে কোনওভাবেই তাঁদের ফুটবল কেরিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।” তিনি আরও জানান, টাটা স্টিলের লক্ষ্য কখনওই খেলাধুলো থেকে আয় করা ছিল না। বরং তারা চেয়েছিল, ফুটবলারদের সুযোগ করে দেওয়া, ক্রীড়া সংস্কৃতির প্রসার ঘটানো ও ভবিষ্যতের প্রতিভা তৈরি করা। এই দর্শন নিয়েই এত বছর ধরে জামশেদপুর এফসি কে চালানো হয়েছে।
তাঁর কথায়, প্রতি বছর টাটা স্টিল থেকে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। অন্যান্য স্পনসর মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ক্লাবে বিনিয়োগের সংখ্যাটা ৩২০ কোটি টাকারও বেশি। তিনি বলেন, “গত ২ বছরে দল বেশ সাফল্য অর্জন করেছে। এই দীর্ঘ যাত্রা নিয়ে টাটা স্টিল গর্বিত।” এমনকি জামশেদপুর ভবিষ্যতে বিভিন্ন শহরের ফুটবল প্রতিযোগিতা, স্থানীয় ক্লাব, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও তরুণ ফুটবলারদের সব দিক থেকে সাহায্য করবে।
