Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

ভাল আছে মার্স হেলিকপ্টার Ingenuity, তবে আগামী সপ্তাহের আগে নতুন উড়ানের দিন নির্ধারণ নয়

গত ১১ এপ্রিল প্রথম উড়ান নেওয়ার কথা ছিল এই মার্স হেলিকপ্টার Ingenuity- র।

ভাল আছে মার্স হেলিকপ্টার Ingenuity, তবে আগামী সপ্তাহের আগে নতুন উড়ানের দিন নির্ধারণ নয়
আগামী সপ্তাহে উড়ানের নতুন নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছে নাসা।
Follow Us:
| Updated on: Apr 13, 2021 | 6:09 PM

প্রথম উড়ান পিছিয়ে গিয়েছে মার্স হেলিকপ্টার Ingenuity- র। তারপর থেকে শুরু হয়েছিল উদ্বেগ। তাহলে কি ঠিকঠাক নেই মার্স হেলিকপ্টার? আর ঠিক ভাবে কাজ করতে পারবে না? এই সমস্ত প্রশ্নের জবাব টুইটে জানিয়েছে নাসা জেপিএল। তাদের তরফে জানানো হয়েছে, ভাল আছে মার্স হেলিকপ্টার Ingenuity। কিন্তু কপ্টারের একটি ফ্লাইট সফটওয়্যারে আপডেট প্রয়োজন। আর এই কাজে সময় লাগবে। যতদিন ঠিক ভাবে সফটওয়ারের ডেভেলপমেন্ট না হচ্ছে, ততদিন উড়ান শুরু সম্ভব নয়। এছাড়াও টুইটে বলা হয়েছে আগামী সপ্তাহে মার্স হেলিকপ্টারের প্রথম উড়ানের জন্য একটি দিন নির্ধারণ করা হবে।

গত ১১ এপ্রিল প্রথম উড়ান নেওয়ার কথা ছিল এই মার্স হেলিকপ্টার Ingenuity- র। ঠিক করা হয়েছিল প্রথম দিন মাত্র ৩০ সেকেন্ড উড়বে এই মিনি হেলিকপ্টার। সেই সময়েই রোভার পারসিভের‍্যান্সের ছবি তুলবে এই কপ্টার। কিন্তু উড়ানের আগে কার্যত শেষ মুহূর্তে পিছিয়ে দেওয়া হয়। তখন নাসার তরফে জানানো হয়েছিল, ১৪ এপ্রিলের আগে কোনওমতেই Ingenuity- র উড়ান শুরু করা সম্ভব নয়। শেষ মুহূর্তের পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় কিছু যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই প্রথম পৃথিবীর বাইরে অন্য কোনও গ্রহে এমন একটি হেলিকপ্টার পাঠানো হয়েছিল যেটি স্বয়ংসক্রিয়। এই মিনি হেলিকপ্টার মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠদেশের উপর উড়ে বেরিয়ে আকর্ষণীয় কিছু ছবি তুলবে এবং অসামান্য কিছু তথ্য সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরবে বলেই জানিয়েছেন বৈজ্ঞানিকরা। জানা গিয়েছে, এই মার্স হেলিকপ্টার Ingenuity- র ওজন ১.৮ কিলোগ্রাম।

আরও পড়ুন- বর্জ্য পদার্থ দিয়ে তৈরি হয়েছে রোবট! মুম্বইয়ের শিক্ষকের আবিষ্কারকে কুর্নিশ নেট দুনিয়ার

প্রথম থেকেই বিজ্ঞানীরা বলেছেন, মঙ্গল গ্রহে ওই কপ্টারের অবতরণ, সেখানকার পরিবেশে টিকে থাকা এবং উড়ান শুরু করা সবটাই খুব চ্যালেঞ্জিং। কারণ রাতের বেলায় মঙ্গলের হিমশীতল আবহাওয়া এবং অত্যধিক কম চাপের জন্য যেকোনও মুহূর্তে অঘটন ঘটতেই পারে।