Madhyamik Exam: ঠিক সময়ে চলে গিয়েছিল, তাও দেওয়া হল না মাধ্যমিক! মায়ের পাশে দাঁড়িয়ে অঝোরে কাঁদল বছর পনেরোর মেয়েটা
Madhyamik Exam 2026: পরীক্ষার দিন সকালে রেজিস্ট্রেশন কার্ড নিয়ে তাঁকে বাইরে দেখা গেলেও তার কাছে অ্যাডমিট কার্ড ছিল না। অগত্যা পরীক্ষায় বসার অনুমতি পাওয়া যায়নি। তাহলে কী আনতে ভুলে গিয়েছিল? কাঁদতে কাঁদতেই মনীষা যদিও ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে তার স্কুলের বিরুদ্ধেই।

আলিপুরদুয়ার: বিগত কয়েকদিন ধরে টানা প্রস্তুতি। অবশেষে এল পরীক্ষার দিন। মা-বাবার আর্শীবাদ নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রেও গিয়েছিল মাধ্যমিকের মেয়েটা। কিন্তু পর্যন্ত আর পরীক্ষা দেওয়া হল না দলসিংপাড়া এলাকার বাসিন্দা মনীষা কামির। পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে কান্না ভেঙেও পড়ল ছাত্রী। তাঁর পরীক্ষা কেন্দ্র হাসিমারা হিন্দি হাইস্কুলে। আদতে সে দলসিংপাড়া শ্রীগনেশ হাইস্কুলের ছাত্রী।
পরীক্ষার দিন সকালে রেজিস্ট্রেশন কার্ড নিয়ে তাঁকে বাইরে দেখা গেলেও তার কাছে অ্যাডমিট কার্ড ছিল না। অগত্যা পরীক্ষায় বসার অনুমতি পাওয়া যায়নি। তাহলে কী আনতে ভুলে গিয়েছিল? কাঁদতে কাঁদতেই মনীষা যদিও ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে তার স্কুলের বিরুদ্ধেই। তার অভিযোগ, স্কুল থেকে অ্যাডমিট পায়নি। বারবার জানানোর পরেও তাঁকে অ্যাডমিট কার্ড দিতে কোনও সাহায্য করা হয়নি। মায়ের পাশে দাঁড়িয়ে মনীষা বলছেন, যথারীতি ফর্মফিলাপ করে জমা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অ্যাডমিট আসেনি। স্কুলে গিয়েও অ্যাডমিট পাওয়া যায়নি। অ্যাডমিট পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও সহযোগিতাও করেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ। বার বার বলেছে তাও আমল দেয়নি স্কুল কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে কালনায় আবার পরীক্ষা কেন্দ্রে এসে অসুস্থ হয়ে গেল পরীক্ষার্থী। ভর্তি হাসপাতালে। কালনা থানার অন্তর্গত বেগপুর পঞ্চায়েতের পার সাহাপুর এলাকার বাসিন্দা তানিশা খাতুন (১৬)। বেগপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। সিট পড়েছিল কাঁকুরিয়া দেশবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ে। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর আগে আচমকা তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। সংজ্ঞাহীনও হয়ে পড়ে কিছু সময়ের মধ্যে। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে কালনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
এই বর্ধমানেই বেডে বসে পরীক্ষা দিতে দেখা গেল আর এক পরীক্ষার্থীকে। বাজে প্রতাপপুর এলাকার বাসিনন্দা মহম্মদ আফনান দুবরাজপুর হাই স্কুলের দশম শ্রেনীর ছাত্র। ২১ জানুয়ারি কাফ সিরাফ ভেবে পোকা মাকড় মারার কীটনাশক খেয়ে ফেলে আফনান। তারপর থেকে ভর্তি হাসপাতালে। এদিন সেখান থেকেই পরীক্ষা দেয়।
