AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Digital Birth Certificate: ভোরে এসে ইট পাতছে, বার্থ সার্টিফিকেট ডিজিটাল করাতে হবে, রোজ সরকারি হাসপাতালে ৫০০-৬০০ মানুষের ভিড়

Balurghat State Hospital: স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, একটি সরকারি নথি ডিজিটাল করার জন্য এত বিপুল সংখ্যক মানুষকে এভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। অনলাইনে আবেদন বা একাধিক কাউন্টার চালু করা গেলে এই ভিড় অনেকটাই কমানো সম্ভব বলে তাঁদের দাবি।

Digital Birth Certificate: ভোরে এসে ইট পাতছে, বার্থ সার্টিফিকেট ডিজিটাল করাতে হবে, রোজ সরকারি হাসপাতালে ৫০০-৬০০ মানুষের ভিড়
ভোর থেকেই লাইন পড়ছে। চরম ভোগান্তি সাধারণ মানুষের।Image Credit: TV9 বাংলা
| Edited By: | Updated on: Oct 24, 2026 | 2:14 PM
Share

বালুরঘাট: হাতে লেখা জন্ম শংসাপত্র করতে হবে ডিজিটাল। সরকারি নির্দেশের পর ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট করাতে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে ভিড় অভিভাবকদের। প্রতিদিন ভোর হতে না হতেই হাসপাতাল চত্বরে পড়ছে লম্বা লাইন। কেউ জলের বোতল রেখে জায়গা ধরে রাখছেন। কেউ আবার ইট, পাথর কিংবা অন্য কোনও সামগ্রী রেখে লাইন ধরে রাখছেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পর মিলছে ডিজিটাল জন্ম শংসাপত্রের আবেদন করার সুযোগ। এই প্রক্রিয়া নিয়েই সরব হয়েছেন সাধারণ মানুষ থেকে বিরোধীরা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু দক্ষিণ দিনাজপুর নয়, আশপাশের অন্যান্য জেলা থেকেও বহু মানুষ জন্ম শংসাপত্র ডিজিটাল করাতে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে আসছেন। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ জন ডিজিটাল জন্ম শংসাপত্রের জন্য আবেদন করছেন। ফলে হাসপাতালের সুপার অফিসের সংশ্লিষ্ট দফতরের সামনে সকাল থেকেই ভিড় জমছে।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই ভিড় আরও বাড়ছে। সমস্যা আরও বাড়ছে গরমে। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকে। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি, মহিলা এবং শিশুদের নিয়ে আসা পরিবারের সদস্যদের দুর্ভোগ বেশি। অনেকে আবার লাইনে দাঁড়ানোর জন্য সকাল সকাল হাসপাতালে চলে আসছেন। জায়গা ধরে রাখতে জলের বোতল, ইট বা পাথর রেখে অপেক্ষা করছেন। তারপর শুরু হচ্ছে দীর্ঘ অপেক্ষা।

অন্যদিকে, বালুরঘাট মহকুমায় প্রায় ৭০-৮০ হাজার এমন বার্থ সাটিফিকেট রয়েছে, যেগুলো ডিজিটাল করা হবে। ইতিমধ্যেই ৮-৯ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। পুরনোদের পাশাপাশি নতুন আবেদনেরও কাজ করতে হচ্ছে। সব নথি নিয়ে পোর্টালে স্ক্যান করে আপলোড করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, একটি সরকারি নথি ডিজিটাল করার জন্য এত বিপুল সংখ্যক মানুষকে এভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। অনলাইনে আবেদন বা একাধিক কাউন্টার চালু করা গেলে এই ভিড় অনেকটাই কমানো সম্ভব বলে তাঁদের দাবি। হাসপাতাল চত্বরে পর্যাপ্ত ছাউনি বা বসার ব্যবস্থা না থাকায় গরমে সমস্যা আরও তীব্র হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

জন্ম শংসাপত্র বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা এবং নথিপত্রের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। পড়াশোনা থেকে পাসপোর্ট, আধার সংক্রান্ত কাজ থেকে শুরু করে সরকারি বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রেও জন্মের প্রমাণপত্র প্রয়োজন হয়। পুরনো হাতে লেখা শংসাপত্রের পরিবর্তে ডিজিটাল নথি তৈরি হয়ে গেলে ভবিষ্যতে নথি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। সেই কারণেই সরকারি নির্দেশ মেনে পুরনো জন্ম শংসাপত্র ডিজিটাল করার কাজ চলছে। তবে এই প্রক্রিয়াকে ঘিরে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

বর্তমানে কেন্দ্রীয় স্তরে জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্রের জন্য পোর্টাল আছে। সেখানে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের একটি লগইন আইডি আছে, যা একবারে একটি কম্পিউটারেই খোলা যায়। তাই ইচ্ছে থাকলেও উপায় নেই। বেশি কাউন্টার করা সম্ভব নয় বলেই জেলা হাসপাতালের এক আধিকারিক জানিয়েছেন।

Follow Us