AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bankura Tourism: কলকাতা থেকে অল্প দূরেই বাংলার আরও এক ‘grand canyon’, গনগনি নয়, বাঁকুড়ার এই ‘হিডেন জেম’-কে চিনে নিন

শহুরে ব্যস্ততা নেই। নেই কোলাহল। সময় যেন থমকে দাঁড়িয়ে রয়েছে এই উন্মুক্ত প্রান্তরে। সবুজ বনানির মর্মর, ঝিঁঝি পোকার ডাক আর পাখির কলতান যেন এই প্রান্তরে ঘোষণা করে চলেছে প্রাণের অস্তিত্বটুকু। এই প্রান্তরেরই একপাশ ঘেঁসে রুপোলি ফিতের মতো তিরতির করে বয়ে চলেছে জয়পন্ডা নদী

Bankura Tourism: কলকাতা থেকে অল্প দূরেই বাংলার আরও এক 'grand canyon', গনগনি নয়, বাঁকুড়ার এই 'হিডেন জেম'-কে চিনে নিন
বাংলার গ্র্যান্ড ক্যানিয়নImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Sep 23, 2026 | 6:10 PM
Share

বাঁকুড়া: খোয়াই। শব্দটা কানে এলেই ভেসে ওঠে বীরভূমের শান্তিনিকেতন বা পশ্চিম মেদিনীপুরের গনগনির কথা। প্রকৃতির চড়াই উৎরাই দেখতে সেই শান্তিনিকেতন বা গনগনিতে কত পর্যটকই না ছুটে যান। কিন্তু পর্যটকদের দল জানেই না রাঢ় বাংলাতেই লুকিয়ে রয়েছে আস্ত আরও এক খোয়াই। বলতে পারেন গ্র্যান্ড ক্যানিয়নও। বাঁকুড়ার সিমলাপাল ব্লকের ধাদকিডাঙ্গা এলাকায় জয়পন্ডা নদীর ধারে থাকা সে খোয়াই যেন শিল্পীর হাতে আঁকা এক চোখ জুড়ানো ক্যনভাস।

শান্তিনিকেতনের খোয়াই দেখে বিশ্বকবির কলমে ঝরে পড়েছিল তাঁর মুগ্ধতা। তবে রবীন্দ্রনাথ কোনও দিন পা রাখেননি বাঁকুড়ার ধাদকিডাঙ্গার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া জয়পন্ডা নদীর পাড়ে। পা পড়ে না পর্যটকদেরও। পড়বেই বা কেমন করে? কারণ পর্যটকদের অনেকেই জানেন না জয়পণ্ডা নদীর তীরে প্রকৃতি আপন খেয়ালে নিজেকে ভেঙে গড়ে যুগ যুগ ধরে তৈরি করে চলেছে এমন অপরূপ ভাস্কর্য।

জয়পন্ডার ঠিকানা

বাঁকুড়ার বিখ্যাত টেরাকোটা গ্রাম পাঁচমুড়াকে পিছনে ফেলে এগোতে হবে। কখনো পাকা আবার কখনো ইউক্যালিপটাশের ছায়ায় অজগরের মতো অলস পড়ে থাকা মোরামের রাস্তা ধরে কিলোমিটার ছয়েক এগোলেই পৌঁছে যাওয়া যায় ধাদকিডাঙ্গায়।

শহুরে ব্যস্ততা নেই। নেই কোলাহল। সময় যেন থমকে দাঁড়িয়ে রয়েছে এই উন্মুক্ত প্রান্তরে। সবুজ বনানির মর্মর, ঝিঁঝি পোকার ডাক আর পাখির কলতান যেন এই প্রান্তরে ঘোষণা করে চলেছে প্রাণের অস্তিত্বটুকু। এই প্রান্তরেরই একপাশ ঘেঁসে রুপোলি ফিতের মতো তিরতির করে বয়ে চলেছে জয়পন্ডা নদী। এই নদী ঠিক যেখানটায় বাঁক নিয়েছে সেখানে গেলেই চোখে পড়বে প্রকৃতির এই অপূর্ব ভাস্কর্য।

নদীর পাড়ে থাকা বিস্তীর্ণ প্রান্তরের শক্ত মোরামের নীচেই রয়েছে খড়িমাটির নরম স্তর। শতশত বছর ধরে জলের স্রোতে সেই খড়িমাটির স্তর ধুয়ে গিয়ে তৈরি হয়েছে এই ভাস্কর্যর। যার মাঝখান দিয়ে এঁকেবেঁকে নিচের দিকে ধেয়ে চলেছে অসংখ্য ছোট ছোট জলস্রোত। যার প্রভাবে প্রতিনিয়ত চলছে ভাঙা গড়ার খেলা। আর সেই খেলার মধ্য দিয়ে প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে নিত্য নতুন ভূমিরূপ।

শিল্পীর ইজেলে আঁকা রঙিন ক্যনভাসের মতো সেই ভূমিরূপের সৌন্দর্য নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করাই কঠিন। পুজোর ছুটির কয়েকটা দিন আসবেন নাকি ধাদকিডাঙ্গার প্রকৃতির মাঝে নিজেকে হারিয়ে দিতে?

Follow Us