Bankura: মেয়ের সামনেই স্বামীর গলায় একের পর এক কুড়ুলের কোপ! হাড়হিম কাণ্ড
Bankura Murder: ২০১৭ সালে বাঁকুড়ার বড়জোড়া থানার পখন্না গ্রামের বাসিন্দা উজ্জ্বল চক্রবর্তীর সঙ্গে ওই থানারই মনোহর গ্রামের ঝুমার বিয়ে হয়। তাঁদের একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে। পরিবারের দাবি, বিয়ের পর থেকেই ভাইদের সঙ্গে পৃথক হওয়ার বিষয় নিয়ে প্রায়শই স্বামীকে চাপ দিত ঝুমা।

বাঁকুড়া: ভোর রাতে নিজের মেয়ের সামনেই স্বামীর গলায় একের পর এক কুড়ুলের কোপ। স্বামীকে খুন করে গ্রেফতার হলেন স্ত্রী। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার বড়জোড়া থানার পখন্না গ্রামে। পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে পাঠিয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালে বাঁকুড়ার বড়জোড়া থানার পখন্না গ্রামের বাসিন্দা উজ্জ্বল চক্রবর্তীর সঙ্গে ওই থানারই মনোহর গ্রামের ঝুমার বিয়ে হয়। তাঁদের একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে। পরিবারের দাবি, বিয়ের পর থেকেই ভাইদের সঙ্গে পৃথক হওয়ার বিষয় নিয়ে প্রায়শই স্বামীকে চাপ দিত ঝুমা। স্ত্রীর আবদার না মানায় দাম্পত্য কলহ লেগেই ছিল। আজ ভোরে আচমকাই একই বাড়িতে থাকা উজ্জ্বলের দাদা সনৎ চক্রবর্তী ভারী কিছু পড়ার শব্দ পান।
প্রাথমিকভাবে তাঁর ধারণা হয় বাড়ি ভেঙে পড়ছে। ভয়ে তিনি ছোটাছুটি করে ভাই উজ্জ্বল চক্রবর্তীর কক্ষে ঢোকার চেষ্টা করলে ভাতৃবধূ কুড়ুল হাতে তাঁর দিকে তেড়ে আসে বলে অভিযোগ। বাধা দিতে গেলে ভাতৃবধূ ঝুমা সনৎ এর হাতেও কুড়ুলের কোপ মারে বলে অভিযোগ। পরে বড়জোড়া থানার পুলিশ ওই কক্ষ থেকে উজ্জ্বলের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। উজ্জ্বলের গলায় কুড়ুলের গভীর আঘাত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সনৎ এর দাবি দাম্পত্য কলহের জেরে ভাতৃবধূ ঝুমা তাঁর ভাইয়ের গলায় একের পর এক কুড়ুলের কোপ মেরে খুন করেছে। পুলিশ অভিযুক্ত ঝুমা চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করেছে।
