
ওন্দা: ঘটনার ৪৮ ঘন্টা পরে ওন্দায় আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গেল ফরেনসিক দল। অন্যদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরগরম জেলার রাজনৈতিক মহল। এলাকায় গেলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও সরব হলেন। একইসঙ্গে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে তুলোধনা করলেন রাজ্য সরকারের। আক্রান্ত কর্মীকে পাশে নিয়ে দলীয় স্তরে সবরকমভাবে পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন।
গত বুধবার গভীর রাতে বাঁকুড়ার ওন্দা থানার নন্দনপুর গ্রামে বিজেপি নেতা তাপস বারিকের বাড়ির দরজা বাইরে থেকে আটকে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। তাপস বারিক সহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের জ্যন্ত পুড়িয়ে মারতেই তৃনমূলের তরফে এই অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে, এই অভিযোগ তুলে সরব হয় বিজেপি। এদিকে বিরোধী দলনেতা গ্রামে পৌঁছানোর আগে সকালেই ফরেনসিকের টিমের চার সদস্য গ্রাম থেকে নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যায়।
অন্যদিকে এলাকার সভা থেকে গর্জে ওঠেন শুভেন্দু। বাঁকুড়ার জনপ্রতিনিধিদের পাশে নিয়ে বলেন, “আমরা প্রথমেই তাপস বারিকের বাড়িতে গিয়েছি। গোটা বাড়িতে কান্নার রোল। মা-বাবা মূর্ছা যাচ্ছেন। দৃশ্য চোখে দেখা যায় না। আমরা গোটা বাড়ি দেখেছি।” ঘটনার বীভৎসতা নিয়ে বলতে গিয়ে পুলিশের ভূমিকা প্রশ্ন তুলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তোপের পর তোপ দেগে বলেন, “শিকল তুলে রাত দু’টোর তাপস বারিককে মা বারার সঙ্গেই পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিল। পুলিশের দায়িত্ব ছিল তদন্ত করার, অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার। তাঁরা সেটা করেনি। আজ আমরা আসব বলে ফরেনসিক পাঠিয়েছে। আমরা তাপসের বাড়ির পুনর্নিমানের অর্থ সাহায্য করেছি। তাঁর দোকান তৈরির ব্যবস্থা করব। তাঁকে অর্থনৈতিকভাবে দাঁড় করাব। ওন্দার পুলিশকে বলছি আপনাদের এসপি পূর্ব মেদিনীপুর থেকে এসেছে। ওকে আমি ভাল চিনি। মমতা-অভিষেকের কথা ওঠে বসে। আমাকে টাইট করতে পূর্ব মেদিনীপুরে গিয়েছিল, নিজে টাইট হয়ে চলে এসেছে।”