Kalyan Banerjee: ‘মমতাদিকে জানিয়ে দিয়েছি…’, হঠাৎ কল্যাণ আবার কী বললেন?
Bankura News: বাঁকুড়ার তৃণমূল ভবনে ২১ শে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় এই ভাষাতেই হুঁশিয়ারি দিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, "ওয়ান নেশান ওয়ান ভোট বিল পাশ করার জন্যেই তৃণমূল সাংসদদের কিনেছে বিজেপি। কিন্তু ওই বিল পাশ হয়ে গেলে ২০২৯-এর লোকসভা নির্বাচনের পাশাপাশি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনও হবে। তখন এই দু'মুখোরা প্রার্থী হতে পারবে না।"

বাঁকুড়া: হাতে গোনা মাত্র কয়েকজন বিধায়ক রয়েছেন। বাদ বাকি সব গিয়েছেন আসল তৃণমূল অর্থাৎ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের দলে। এবার একুশে জুলাইও পালন হচ্ছে দু’টো করে। অপরদিকে, তৃণমূলের কুড়ি জন সাংসদ আবার যোগ দিয়েছেন NCPI-তে। এমতাবস্থায়, এবার বিস্ফোরক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “যে যেখানে যাচ্ছে যাক। যে যেখানে ভালো থাকে থাকুক। কিন্তু আমি মমতাদিকে জানিয়ে দিয়েছি, এদের আবার দলে ফিরিয়ে নিলে আমি দল ছেড়ে চলে যাব।”
বাঁকুড়ার তৃণমূল ভবনে ২১ শে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় এই ভাষাতেই হুঁশিয়ারি দিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “ওয়ান নেশান ওয়ান ভোট বিল পাশ করার জন্যেই তৃণমূল সাংসদদের কিনেছে বিজেপি। কিন্তু ওই বিল পাশ হয়ে গেলে ২০২৯-এর লোকসভা নির্বাচনের পাশাপাশি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনও হবে। তখন এই দু’মুখোরা প্রার্থী হতে পারবে না।” এরপরই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় হুঁশিয়ারির সুরে এদের দলে ফেরালে দল ছেড়ে চলে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে বসেন।
এদিনের প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখতে উঠে কৃষ্ণনগরের সাংসদ একহাত নেন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ ২০ জন সাংসদকে। তাঁর দাবি,”যাঁদের বিরুদ্ধে বিজেপি নেতারা লড়াই করেছেন, তাঁদের এখন দলে নিতে পারছে না। সেজন্য একটি বাফার জোন তৈরি করে এদের রেখেছে। ২০২৯ সালে এদের সকলের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। তখন এরা না তৃণমূলের না বিজেপির হবে।”
