Bike Accident: মৃত্য়ু যেন ওৎ পেতে বসেছিল! বাইক চালিয়ে যাচ্ছিলেন, মাঝ রাস্তায় হঠাৎ গলা কেটে হাঁ হয়ে গেল…
Hoogly Accident: কিছু একটা হয়েছে বুঝতে পেরেই ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পিছনে থাকা এক স্কুটার চালক ছিলেন, তিনিও দাঁড়িয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে চিনা ঘুড়ির সুতো টেনে জড়ো করেন অন্য এক ব্যক্তি। নাহলে আরও অনেকে বিপদে পড়তে পারতেন।

হুগলি: চিনা সুতোয় পথে মৃত্যুপথ। এবার চিনা মাঞ্জায় গলা কেটে হাঁ হয়ে গেল এক বাইক চালকের। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে ব্যান্ডেল শরৎ সরণীতে। অল্পের জন্য প্রাণ রক্ষা পেলেও, রীতিমতো আতঙ্কিত তিনি। আহত ওই বাইক চালককে নিয়ে যাওয়া হয়েছে চুঁচুড়া ইমামবাড়া জেলা হাসপাতালে।
জানা গিয়েছে, বাইক চালিয়ে চুঁচুড়া থেকে ব্যান্ডেলের দিকে যাচ্ছিলেন তালডাঙ্গার বাসিন্দা হারাধন আচার্য। পেশায় পুরোহিত তিনি। ব্যান্ডেল কাপাসডাঙা শরৎ সরণীর জিটি রোডের উপরে আড়াআড়ি ভাবে পরে ছিল ঘুড়ির সুতো।খালি চোখে সেই সুতো দেখতে পাননি তিনি। গলায় লাগতেই, চিনা মাঞ্জার ধারে কেটে গলা হাঁ হয়ে যায়। গলগল করে রক্ত ঝরতে থাকে।
কিছু একটা হয়েছে বুঝতে পেরেই ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পিছনে থাকা এক স্কুটার চালক ছিলেন, তিনিও দাঁড়িয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে চিনা ঘুড়ির সুতো টেনে জড়ো করেন অন্য এক ব্যক্তি। নাহলে আরও অনেকে বিপদে পড়তে পারতেন।
আহত হারাধন আচার্য বলেন, “ব্যান্ডেলে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ গলায় টান লাগল। বুঝতেই পারিনি এতটা কেটে গিয়েছে।এত ধার এই সুতোয়।”
পিছনে থাকা স্কুটার চালক হারাধন কুমার রায়ও বলেন, “সবাইকে সচেতন হতে হবে। প্রশাসন সচেতন করলেও, মানুষকে সচেতন হবে। দোকানে গিয়ে এই সুতো বিক্রি বন্ধ করতে হবে।”
উল্লেখ্য, ঘুড়ি ওড়ানো নিয়ে পুলিশ প্রশাসন চিনা মাঞ্জা সুতো কেনাবেচা বন্ধ করতে সচেতনতার প্রচার থেকে ধরপাকড় করে। তবুও বারবার দুর্ঘটনা ঘটছে।
