Birbhum: ‘কাজ নেই, ঘরে খাবার নেই, আর সব নেতাগিরি করে বেড়াচ্ছে’, BJP প্রার্থীকে দেখে কেঁদে ফেললেন TMC নেতার মা
West Bengal assembly election 2026: তৃণমূলের এই দাবি শুনে হেসে ফেললেন সিউড়ির বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যে মানুষের ক্ষোভ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। আর সিউড়ির ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল নেতা তাঁর মায়ের ক্ষোভ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। বাড়ির ছেলে মাকে শিখিয়ে দিতে পারছে না। আর বিজেপি নেতারা শিখিয়ে দিতে পারছেন?"

সিউড়ি: ছেলে স্থানীয় তৃণমূল নেতা। আর সেই তৃণমূল নেতার মা-ই বিজেপি প্রার্থীকে কাছে পেয়ে শাসকদলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন। বিজেপি প্রার্থীর জয় চেয়ে তাঁকে আশীর্বাদ করলেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়ল বীরভূমের সিউড়িতে। এই নিয়ে শাসকদলকে খোঁচা দিলেন সিউড়ির বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। যদিও শাসকদলের দাবি, বিজেপি স্থানীয় তৃণমূল ওই নেতার মাকে সব শিখিয়ে এই সব কথা বলিয়েছে।
শুক্রবার সিউড়ি শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রচার করছিলেন সিউড়ির বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে তিনি প্রচারে যেতেই এগিয়ে আসেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা রবি সাহার মা শান্ত সাহা। বিজেপি প্রার্থীকে কাছে পেয়ে আবেগতাড়িত হয়ে পড়তে দেখা যায়। জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের মাথায় হাত দিয়ে আশীর্বাদ করেন তৃণমূল নেতার মা।
শুধু বিজেপি প্রার্থীকে আশীর্বাদ করাই নয়, শাসকদলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। বিজেপি প্রার্থীকে কাছে পেয়ে শান্ত সাহা বলেন, “কাজ নেই। ঘরে খাবার নেই। আর সব নেতাগিরি করে বেড়াচ্ছে। এদের ঝেঁটিয়ে বিদেয় করা হোক।” বলতে বলতে কেঁদে ফেলেন তিনি। বিজেপি প্রার্থী জিতবেন বলেও আশীর্বাদ করেন তিনি। জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
বিষয়টি সামনে আসার পরই শোরগোল পড়ে যায়। বৃদ্ধার ছেলে রবি সাহা বলেন, বিজেপির লোক তাঁর মাকে এই সব শিখিয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামী এলাকার শাসকদলের নেতা বলে পরিচিত পবিত্র দাস বলেন, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে ওই পাড়াতে সবচেয়ে বেশি কাজ হয়েছে। বৃদ্ধাকে শিখিয়ে এখন এসব বলানো হয়েছে প্রচারের জন্য।
তৃণমূলের এই দাবি শুনে হেসে ফেললেন সিউড়ির বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যে মানুষের ক্ষোভ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। আর সিউড়ির ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল নেতা তাঁর মায়ের ক্ষোভ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। বাড়ির ছেলে মাকে শিখিয়ে দিতে পারছে না। আর বিজেপি নেতারা শিখিয়ে দিতে পারছেন? আমি তো তাঁকে চিনি না তাঁর মায়ের কান্না দেখলাম। আমাকে দেখে এই সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করছেন। আসল কথা, তৃণমূলের ঘরে ঘরে পদ্মফুল ফুটে গিয়েছে।”
