BJP Disciplinary Action: উদ্ধার করেছিলেন গরিবের ত্রাণের সামগ্রী-ত্রিপল! তবুও ৪ নেতাকে শোকজ করল বিজেপি, কেন?
BJP Show Cause Notice: দলবিরোধী কাজের অভিযোগে বীরভূমের সিউড়ি শহরের চারজন বিজেপি পদাধিকারীকে শো-কজ নোটিস পাঠানো হল। বিজেপির সিউড়ি শহর সভাপতি সুনয়ন ভান্ডারী এই নোটিস পাঠিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

বীরভূম: গ্রাম থেকে জেলা-জেলা থেকে মফ্ফস্বল, মফ্ফস্বল থেকে শহর কলকাতা। চতুর্দিকে তৃণমূল নেতা-বিধায়কদের কার্যালয়, ওয়ার্ড অফিসে চলছে ‘রেইড’! উদ্ধার হচ্ছে ত্রাণ সামগ্রী, ত্রিপল আরও কত কী! যা দেখে মোটামুটি চক্ষু চড়কগাছ বঙ্গবাসীর। কিন্তু এহেন একটি ‘রেইড’ করতে গিয়েই দলের শাস্তির মুখে চার বিজেপি নেতা।
দলবিরোধী কাজের অভিযোগে বীরভূমের সিউড়ি শহরের চারজন বিজেপি পদাধিকারীকে শো-কজ নোটিস পাঠানো হল। বিজেপির সিউড়ি শহর সভাপতি সুনয়ন ভান্ডারী এই নোটিস পাঠিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আগামী ৩ দিনের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না দিলে তাঁদের দল থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
দলীয় সূত্রে খবর, এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপের নেপথ্যে রয়েছে সিউড়ির প্রাক্তন বিধায়ক তথা তৃণমূল নেতা বিকাশ রায় চৌধুরীর অস্থায়ী বাসভবন থেকে ত্রিপল উদ্ধারের ঘটনা। সম্প্রতি সিউড়ির সাজানোপল্লি এলাকায় ওই প্রাক্তন বিধায়কের একটি অস্থায়ী বাসস্থান থেকে তালা ভেঙে ত্রাণের ত্রিপল এবং কম্বল উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ, সেই সময় বিজেপির ওই চারজন কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং এই অনভিপ্রেত ঘটনায় সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন।
অন্যদিকে, প্রাক্তন বিধায়ক বিকাশ রায় চৌধুরী দাবি করেছেন, তাঁর বাড়িতে ত্রাণের ত্রিপল ও কম্বল মজুত থাকার বিষয়টি তিনি আগেই লিখিতভাবে জেলা শাসককে জানিয়েছিলেন। এমনকি সেগুলি সরকারি হেফাজতে নেওয়ার জন্যও জেলা শাসককে অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু তার আগেই বেআইনিভাবে তালা ভেঙে সেইসব সরকারি সামগ্রী উদ্ধার এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। আর তাতেই দলের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে তড়িঘড়ি নিজেদের চার নেতার বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল বিজেপি নেতৃত্ব। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
