AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Electric Shock Death Case: শৌচাগারের ঘুলঘুলি দিয়ে পালানোর সময় ইলেকট্রিক শক খেয়ে মৃত্যু দশম শ্রেণির পড়ুয়ার, শোরগোল গঙ্গারামপুরে

Gangarampur Student Electrocution Death: সূত্রের খবর, প্রতিদিনের মত গতকাল রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে সে শৌচাগারে মখ ধুতে যায়। ফেস ওয়াস করার পর ক্রিমটি বন্ধুকে দিয়ে তাকে ঘরে যেতে বলে আলবক্স। এদিকে এরপর থেকেই তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর হোস্টলের বাইরে, শৌচাগারের পাশেই তাকে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।

Electric Shock Death Case: শৌচাগারের ঘুলঘুলি দিয়ে পালানোর সময় ইলেকট্রিক শক খেয়ে মৃত্যু দশম শ্রেণির পড়ুয়ার, শোরগোল গঙ্গারামপুরে
শোরগোল এলাকায় Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Apr 28, 2026 | 7:18 PM
Share

গঙ্গারামপুর: বেসরকারি মাদ্রাসার আবাসিক হস্টেলের শৌচাগারের ঘুলঘুলি দিয়ে পালানোর সময় ইলেকট্রিক শক খেয়ে মৃত্যু দশম শ্রেণির পড়ুয়ার। সোমবার মধ্যরাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার জাহাঙ্গিরপুর এলাকায়। মৃত ছাত্রের নাম জামিস আলবক্স হোসেন (১৪)। বাড়ি তপনের রামচন্দ্রপুরে। খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যায় গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ। ছুটে আসে পরিবারের সদস্যরাও।

মঙ্গলবার দেহটি উদ্ধার করে তা ময়নাতদন্তের জন্য বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদিকে স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যুতে আবাসিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলেছেন মৃত ছাত্রের পরিবারের সদস্যরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন গঙ্গারামপুর থানার আইসি অরিন্দম ভট্টাচার্য। আসেন গঙ্গারামপুরের মহকুমা পুলিশ আধিকারিক শুভতোষ সরকার। কেন শৌচাগারের ঘুলঘুলি দিয়ে ওই ছাত্র পালানোর চেষ্টা করছিল? হস্টেলে কি তার উপর অত্যাচার করা হতো, নাকি নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ আছে সেই সব বিষয়গুলি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখছে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ। এদিন দুপুর পর্যন্ত পরিবারের তরফ থেকে থানায় কোন লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ পেলে মামলা রুজু করে বিষয়টি দেখা হবে বলেও গঙ্গারামপুর থানার তরফে জানানো হয়েছে।

সূত্রের খবর, প্রতিদিনের মত গতকাল রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে সে শৌচাগারে মখ ধুতে যায়। ফেস ওয়াস করার পর ক্রিমটি বন্ধুকে দিয়ে তাকে ঘরে যেতে বলে আলবক্স। এদিকে এরপর থেকেই তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর হোস্টলের বাইরে, শৌচাগারের পাশেই তাকে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার নাক ও মুখের বেশ কিছুটা জায়গায় ক্ষত চিহ্ন রয়েছে। এছাড়াও শৌচাগারের পাশেই থাকা ১১ হাজার ভোল্টেের তারে চুল আটকে রয়েছে। সেই জায়গা থেকে হোস্টেল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ইলেকট্রিক শক খেয়ে মারা গিয়েছেন। বিষয়টি নজরে আসতেই সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি গঙ্গারামপুর থানায় জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে।

অন্যদিকে, পরিবারের অভিযোগ ঘটনার অনেক পরে তাদের খবর দেওয়া হয়েছে। এমনকি ঘটনার পর ওই ছাত্রকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়নি। তাঁদের দাবি, রাত ১২ টার দিকে ঘটনা ঘটলেও রাত দুটাই পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে দেখেন তাদের ছেলে মৃত অবস্থায় মাটিতে পড়ে রয়েছে। পরে পুলিশ দেহ উদ্ধার করে গঙ্গারামপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, শৌচাগারের  উপরে হাই ভোল্টেজ বিদ্যুতের তার রয়েছে। সম্ভবত ঘুলঘুলি দিয়ে বেরোতে গিয়ে ওই তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে যায় ওই ছাত্র। এর ফলেই তার মৃত্যু হয়েছে। এখন দেখার ময়নাতদন্তের রিপোর্টে কী আসে। 

Follow Us