AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

West Bengal Police: পুলিশের ঘরেই সিঁধ? সাইবার হামলায় ‘লোপাট’ একাধিক মামলার গুরুত্বপূর্ণ নথি!

West Bengal Police Cyber Attack: পুলিশের সিসিটিএনএস ব্যবস্থা সাধারণত কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের মস্তিষ্ক। এখানেই রাজ্য পুলিশের সমস্ত এফআইআর, পাশাপাশি চার্জশিট ও অন্যান্য খুঁটিনাটি সব থাকে। সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন অনুযায়ী সিসিটিএনএস-এ ওই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা নথি আপলোড করা হয়।

West Bengal Police: পুলিশের ঘরেই সিঁধ? সাইবার হামলায় 'লোপাট' একাধিক মামলার গুরুত্বপূর্ণ নথি!
প্রতীকী ছবি
| Edited By: | Updated on: Oct 01, 2026 | 8:17 PM
Share

কলকাতা: খোদ পুলিশের ঘরেই চুরি? ফের রাজ্যের ডেটা সেন্টারে সাইবার হামলার অভিযোগ উঠল। ক্ষতিগ্রস্থ পুলিশের সিসিটিএনএস (CCTNS) ব্যবস্থা। সাইবার হামলা করে পুলিশের একাধিক তথ্য লোপাটের অভিযোগ উঠেছে। কার্যত বিকল হয়ে পড়েছে রাজ্য পুলিশের সাইবার সিস্টেম। ভবানীভবনের তরফে গোটা রাজ্যে বার্তা পাঠানো হয়েছে। পুলিশের সমস্ত ওয়েবসাইট থেকে অফিসারদের লগ আউটের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ নথি লোপাট?

পুলিশের সিসিটিএনএস ব্যবস্থা সাধারণত কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের মস্তিষ্ক। এখানেই রাজ্য পুলিশের সমস্ত এফআইআর, পাশাপাশি চার্জশিট ও অন্যান্য খুঁটিনাটি সব থাকে। সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন অনুযায়ী সিসিটিএনএস-এ ওই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা নথি আপলোড করা হয়। রাজ্যের সেই ডেটা সেন্টারেই বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা নাগাদ সাইবার হামলার অভিযোগ উঠেছে। সিসিটিএনএস-এর তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগ, কলকাতা পুলিশ ও কালিম্পং জেলা পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সরকারের টাকা পাঠানোর জন্য সব পুজো কমিটির তথ্যও ছিল পুলিশের সার্ভারে। সেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্যও সাইবার হামলাকারীদের কাছে চলে গিয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

প্রসঙ্গত, মাসখানেক আগে কয়েকবার সাইবার হানা হয়েছিল। আজ সকালে ফের সাইবার হানার পর গোটা রাজ্যের পুলিশ বিভাগকে সতর্ক কর হয়েছে। পুলিশের সমস্ত ওয়েবসাইট থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের লগ আউট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি, তদন্তে নেমে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসটিএফ একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। সেই অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ পাকিস্তানি নাগরিক, কেউ পাকিস্তানি গুপ্তচর। সেই তদন্তের আপডেট কতদূর এগিয়েছে, সেই তথ্য এই সাইবার হামলাকারীদের কাছে চলে যেতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে কোনওভাবে কি এর পিছনে পাকিস্তানের হাত রয়েছে? তদন্ত শুরু করেছে রাজ্য পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখা। কে বা কারা কোথা থেকে তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে, এই নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

Follow Us