Gangarampur: প্রতারণার মামলায় ধৃতের ভাড়া বাড়িতে তল্লাশি চালাতেই চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের
Gangarampur fraud case: দীর্ঘদিন ধরে গঙ্গারামপুরের দলদিঘি উত্তরপাড়া এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন মোনাহার আলি। সেখানে থাকার পাশাপাশি সাইকেলে করে গঙ্গারামপুর শহর সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় মাছ বিক্রি করতেন তিনি। সেই সূত্রেই চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়।

বালুরঘাট: প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার এক অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মিলল আগ্নেয়াস্ত্রের হদিশ। তাঁর জবানবন্দির ভিত্তিতে ভাড়া বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি আগ্নেয়াস্ত্র, এক রাউন্ড গুলি এবং নগদ ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ। ঘটনায় মোনাহার আলি নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের বাড়ি অসমের ধুবরি থানা এলাকায়। রবিবার ধৃতকে গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে। পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে গঙ্গারামপুরের দলদিঘি উত্তরপাড়া এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন মোনাহার আলি। সেখানে থাকার পাশাপাশি সাইকেলে করে গঙ্গারামপুর শহর সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় মাছ বিক্রি করতেন তিনি। সেই সূত্রেই চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। অভিযোগ, পরে ওই ব্যক্তিকে নকল সোনা দিয়ে প্রায় ৫ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন মোনাহার আলী। টাকা নেওয়ার পরই এলাকা ছেড়ে গা-ঢাকা দেন বলে অভিযোগ। ঘটনার পর গঙ্গারামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন প্রতারিত ব্যক্তি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে গত মাসের শেষদিকে মোনাহার আলীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দলদিঘি উত্তরপাড়ায় তাঁর ভাড়া নেওয়া বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
পুলিশের দাবি, শনিবার সন্ধ্যায় ওই বাড়ি থেকেই একটি আগ্নেয়াস্ত্র, এক রাউন্ড গুলি এবং নগদ ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি কীভাবে তাঁর কাছে এল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। রবিবার ধৃতকে গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে পাঠানো হয়েছে। এবিষয়ে ধৃত মোনাহার আলি বলেন, “আমি নকল সোনা দিয়েছিলাম সেটা সত্যি। তবে আমার ঘরে আগ্নেয়াস্ত্র বা ওইধরনের কিছুই ছিল না।”
