AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Gangarampur: ‘হঠাৎ নিরামিষ খেতে শুরু করল…’, কোলে রাখা স্ত্রীর মুন্ডু, তাতে আবার ঠোঁটে গোঁজা বিড়ি! যুবককে দেখতে ভিড় জমল মন্দিরে

Gangarampur Woman Murder Case: বুধবার সকালে এলাকারই যুবক রিন্টু ঘোষকে তাঁরা মন্দিরে দু'হাত তুলে বসে থাকতে দেখেছিলেন। প্রথমটায় অন্ধকারে সেভাবে বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে দেখেন, স্ত্রী কাটা মুন্ডু কোলে নিয়ে বসে ছিলেন রিন্টু। তারপর হঠাৎ করেই মন্দির থেকে নেমে এসে কান্টা মুন্ডু হাতে নিয়ে ঘুরে বেড়াতে শুরু করেন রিন্টু।

Gangarampur: 'হঠাৎ নিরামিষ খেতে শুরু করল...', কোলে রাখা স্ত্রীর মুন্ডু, তাতে আবার ঠোঁটে গোঁজা বিড়ি! যুবককে দেখতে ভিড় জমল মন্দিরে
অভিযুক্ত যুবকImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Nov 04, 2026 | 11:03 AM
Share

দক্ষিণ দিনাজপুর: তখনও ভোরের আলো ঠিক ফোটেনি। ফুল তুলতে বেরিয়েছিলেন কয়েকজন। তাঁদেরই নজরে পড়ে। আবছা অন্ধকারের মধ্যে মন্দিরে চত্বরে বসে এক যুবক। কোলে এক মহিলার কাটা মুন্ডু। টাটকা রক্ত ঝরছে তা থেকে। আর সেই যুবক নিজে দু’হাত তুলে বসে রয়েছেন। শিউরে ওঠেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। ভয়ঙ্কর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নারায়ণপুরে। মৃতার নাম সীমা সরকার ঘোষ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, বুধবার সকালে এলাকারই যুবক রিন্টু ঘোষকে তাঁরা মন্দিরে দু’হাত তুলে বসে থাকতে দেখেছিলেন। প্রথমটায় অন্ধকারে সেভাবে বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে দেখেন, স্ত্রী কাটা মুন্ডু কোলে নিয়ে বসে ছিলেন রিন্টু। তারপর হঠাৎ করেই মন্দির থেকে নেমে এসে কান্টা মুন্ডু হাতে নিয়ে ঘুরে বেড়াতে শুরু করেন রিন্টু। দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ৷ পরে পুলিশ মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পাশাপাশি আটক করা হয় তাঁর স্বামীকে।

কী কারণে এই ঘটনা তা খতিয়ে দেখছে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ। দাম্পত্য কলহের জেরেই এই ঘটনা বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান। মৃতের কাছ থেকে একটি দাঁ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সীমার দাদা বলছেন, “সরকারের ঠিকাদার হিসাবে কাজ করত একটি কোম্পানিতে। কিন্তু কিছুদিন আগে চাকরি চলে যায়। তারপর হঠাৎ করেই ধার্মিক হয়ে যায়। নিরামিষ খাওয়া শুরু করে। তারপর কী যে হল, সেটা বুঝতে পারছি না। জামাইয়ের সঙ্গে তো বোনের কোনও অশান্তি সেরকম ছিল না। আগে তো কখনও এরকম শুনিনি।”

পুলিশের গাড়িতে বসে রিন্টু বললেন, “আমি সাইকো! সাইকো হয়ে গিয়েছি। আগে তো সরকারের হয়ে ঠিকাদারি করতাম। চাকরিটা চলে গেল। আমাকে কোনও চান্স দিল না। বউকে তো আমি সত্যি কথাই বলেছিলাম। বউয়ের কাছে লুকানোর তো কিছু ছিল না।” তদন্তকারীরা বলছেন, রিন্টুর কথায় অসঙ্গতি রয়েছে। তাঁর মানসিক অবস্থা ঠিক রয়েছে কিনা, তাও চিকিৎসকদের পরামর্শ নিচ্ছেন তদন্তকারীরা।

Follow Us