AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Deadbody Recover: ‘মাকে বলেছিল ফিরে এসে ভাত খাব’, এরপর জল থেকে উদ্ধার ছেলের দেহ

South dinajpur: মৃতের বন্ধু বলেন, "আমরা দুজনেই জলে ছিলাম। ও হাঁটু জলে ছিল। আমিই ডুবে গিয়েছি। আমি সাইডের আল ধরে উঠে বসি। তারপর উঠে দেখি আরমান নেই। আমি তখন লোক জড়ো করার চেষ্টা করি।"

Deadbody Recover: 'মাকে বলেছিল ফিরে এসে ভাত খাব', এরপর জল থেকে উদ্ধার ছেলের দেহ
মৃতদেহ উদ্ধারImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jul 16, 2026 | 2:05 PM
Share

বংশীহারি: দু’দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার। রেল লাইনের পাশের জলাশয় থেকে উদ্ধার হল দেহ। বৃহস্পতিবার সকালে আরমান রহমান (১৭) নামে ওই পড়ুয়ার পচাগলা দেহ জলাশয় থেকে উদ্ধার হয়। বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে যায় বুনিয়াদপুর রেল পুলিশ, বংশীহারি থানার পুলিশ ও মৃত কিশোরের পরিবারের সদস্যরা। ঘটনায় সহপাঠী বন্ধুর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তুলেছেন মৃতের পরিবারের সদস্যরা।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ছাত্রের নাম আরমান রহমান (১৭)। বাড়ি বুনিয়াদপুর পুরসভার বড়াইল মসজিদ পাড়ায়। আরমান ও তাঁর এক বন্ধু বংশীহারি হাইস্কুলের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। মৃতের পরিবারের দাবি, গত মঙ্গলবার দুপুরে প্রাইভেট টিউশন পড়ে দুই বন্ধু থিঙ্গুর রেলগেট এলাকায় ঘুরতে যায়। এরপর তাঁরা একটি জলাশয়ে স্নান করতে নামে। অভিযোগ, স্নান করার সময় আরমান জলে তলিয়ে যায়।

পরিবারের দাবি, এই সব দেখার পরও বন্ধু তাঁকে বাঁচানোর কোনও চেষ্টা না করে বাড়ি ফিরে যায়। এমনকী, আরমানের বাড়ির লোকেরা ছেলের খোঁজ নিতে গেলে সহপাঠীর পরিবার জানি না বলে দাবি করেছিলেন। এরপর গত মঙ্গলবার থেকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও ছেলের সন্ধান পাননি পরিবার৷ অবশেষে সকালে থিঙ্গুর রেলগেট সংলগ্ন জলাশয়ে এক ছাত্রের মৃতদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়ায়। পরে পুলিশ এসে দেহটি উদ্ধার করে। তারপর ডেকে পাঠানো হয় পরিবারের লোকজনকে। তারাই সনাক্ত করে মৃতদেহ। ছাত্রের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, ওই সহপাঠী খুনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাঁর দাবি, তিনিও তলিয়ে যাচ্ছিলেন। কোনও রকমে প্রাণে বেঁচেছেন৷ তারপর তিনি জানান সকলকে আরমান তলিয়ে গিয়েছে। মৃতের বন্ধু বলেন, “আমরা দুজনেই জলে ছিলাম। ও হাঁটু জলে ছিল। আমিই ডুবে গিয়েছি। আমি সাইডের আল ধরে উঠে বসি। তারপর উঠে দেখি আরমান নেই। আমি তখন লোক জড়ো করার চেষ্টা করি।” মৃতের আত্মীয় বলেন, “ওর মা বলেছিল খেয়ে যা। ও বলল এসে খাব। তারপর দ্রুত বেরিয়ে যায়। তবে অনেক দেরী হওয়ায় ছেলে না ফেরায় চিন্তায় পড়ে সকলে। তারপর তো এই ঘটনা। আমাদের মনে হচ্ছে ওর বন্ধুই মেনে ফেলেছে।”

Follow Us