South 24 Pargana: বাড়ি ছাড়ার পর আর খোঁজ মিলছিল না, শেষে বাড়ি থেকেই উদ্ধার ৭২ বছরের বৃদ্ধের ঝুলন্ত দেহ
Gangarampur: মৃতের জামাই বিশ্বনাথ সরকার বলছেন, “অনেক বছর থেকেই আমাদের বাড়িতেই শ্বশুর-শাশুড়ি থাকতেন। তবে ওনাদের আদি বাড়ি পুরান পাড়াতেই। কিন্তু আমাদের এখানেই থাকতেন। মাঝে মাঝে ঝামেলা হলে অভিমান করে বেরিয়ে গেলেও আবার ফিরে আসেন। কিন্তু এত বড় কাণ্ড হয়ে যাবে ভাবতে পারেনি।”

গঙ্গারামপুর: গঙ্গারামপুরে ৭২ বছরের বৃদ্ধের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য। মৃতের নাম অতুল চন্দ্র সেন(৭২)। বছর দুয়েক ধরে স্ত্রীকে নিয়ে গঙ্গারামপুর শহরের ১১নম্বর ওয়ার্ডের পুরান পাড়ায় জামাইয়ের বাড়িতে থাকতেন অতুলবাবু। পরিবার সূত্রে খবর, বুধবার বিকালে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হয়। তখনই জামাইয়ের বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি। তারপর থেকে আর তাঁর খোঁজ মেলেনি। পরিবারের সদস্যরা আশপাশে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনও খোঁজ পাননি।
এরইমধ্যে বৃহস্পতিবার সকালে নিজের বাড়িতেই অতুলবাবুর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান তাঁর জামাই। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে দেন। ইতিমধ্যেই পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে বালুরঘাট সদর হাসপাতালে পাঠায়। সেখানেই চলছে ময়নাতদন্ত। পুরো ঘটনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে পুলিশের তরফে। কথা বলা হচ্ছে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও।
মৃতের জামাই বিশ্বনাথ সরকার বলছেন, “অনেক বছর থেকেই আমাদের বাড়িতেই শ্বশুর-শাশুড়ি থাকতেন। তবে ওনাদের আদি বাড়ি পুরান পাড়াতেই। কিন্তু আমাদের এখানেই থাকতেন। মাঝে মাঝে ঝামেলা হলে অভিমান করে বেরিয়ে গেলেও আবার ফিরে আসেন। কিন্তু এত বড় কাণ্ড হয়ে যাবে ভাবতে পারেনি।” এ ঘটনায় স্বভাবতই শোকের ছায়া নেমেছে এলাকায়। শোকের ছায়া পরিবারে। কিন্তু এটা শুধু আত্মহত্যা নাকি নেপথ্যে কোনও ঘটনার ছায়া রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে মৃত্যুর আসল কারণ সম্পর্কে ধোঁয়াশা অনেকটাই কাটবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।
