BJP: ডিম-ভাত নয়, মোদীর সভার মেনু এবার মাংস-ভাত
BJP Brigade rally: বিজেপিকে নিশানা করে তৃণমূল প্রায়ই অভিযোগ করে, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে মাছ-মাংস খাওয়া বন্ধ করে দেবে। এদিন ব্রিগেডের সভায় আসা বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা মাংস-ভাত খেতে খেতেই বললেন, "মিথ্যে কথা বলা তৃণমূলের ট্রেন্ড। ওরা ধরে নিয়েছে, বাঙালিকে যা বোঝাবে, বাঙালি তাই বুঝবে।"

কলকাতা: দূর-দূরান্ত থেকে আসা কর্মী-সমর্থকদের জন্য খাবারের মেনুতে কী রয়েছে? ব্রিগেডে রাজনৈতিক দলগুলির সভার সময় অবধারিতভাবে এই নিয়ে খোঁজ শুরু হয়। শনিবার ব্রিগেডে বিজেপির সভায় খাবারের মেনু নিয়েও উৎসাহ ছিল তুঙ্গে। তৃণমূল বারবার অভিযোগ করে, বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় আমিষ খাওয়া বন্ধ করে দেবে। এই অবস্থায় এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভায় আসা কর্মী-সমর্থকদের খাবারের মেনুতে কী রেখেছিল বিজেপি? ডিম-ভাত নয়। মোদীর সভায় আসা বিজেপি কর্মী সমর্থকরা এদিন মুরগির মাংস আর ভাত খেলেন।
একুশে জুলাই-সহ তৃণমূলের বিভিন্ন সভায় খাবারের মেনুতে ডিম-ভাত থাকে। ব্রিগেডে বামেদের সভাতেও কর্মী-সমর্থকদের খাবারের মেনুতে ডিম-ভাত আর ডাল পরিবেশন করা হয়। বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে আগে এদিন ব্রিগেডে মোদীর সভার জন্য রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা আসেন। তাঁদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। খাবারের মেনুতে কী রয়েছে, তা নিয়ে খোঁজ করতে গিয়েই দেখা গেল, বালতিতে মুরগির মাংস। মোদীর বক্তব্য শোনার আগে রাস্তার ধারে লাইন দিয়ে বসে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা মুরগির মাংস আর ভাত খেলেন।
বিজেপিকে নিশানা করে তৃণমূল প্রায়ই অভিযোগ করে, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে মাছ-মাংস খাওয়া বন্ধ করে দেবে। এদিন ব্রিগেডের সভায় আসা বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা মাংস-ভাত খেতে খেতেই বললেন, “মিথ্যে কথা বলা তৃণমূলের ট্রেন্ড। ওরা ধরে নিয়েছে, বাঙালিকে যা বোঝাবে, বাঙালি তাই বুঝবে।” বাঙালিয়ানার কথা তুলে এক বিজেপি সমর্থক বলেন, “বিহারে তো মাছ-মাংস খাওয়া বন্ধ হয়নি। এত রাজ্যে তো বিজেপি আছে। কোথায় মাছ-মাংস খাওয়া বন্ধ হয়েছে? তৃণমূল নেত্রী কী না বলেন। একটা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষকে বোকা বানাতে চান। শিক্ষিত সমাজকে অশিক্ষিত করতে চাইছেন।”
গত বছরের ৭ ডিসেম্বর ব্রিগেডে গীতাপাঠের দিন একজন চিকেন প্যাটিস বিক্রেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা বেড়েছিল। সেই প্রসঙ্গ তুলতেই এদিন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা বলেন, “গীতাপাঠের আসরে চিকেন প্যাটিস বিক্রি করা যায় না। গীতা পাঠের সময় তো আমিষ চলে না। ওখানে মিরামিষই চলে।” সেদিন ব্রিগেডে চিকেন প্যাটিস বিক্রির পিছনে তৃণমূলের ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও তুলে দিলেন কেউ কেউ।
