BJP Leader Assault Arambagh: নির্দল হিসাবে দাঁড়ানোই ‘অপরাধ’, বিজেপির কার্যালয়ে ঢুকিয়ে ‘মারধর’
Independent candidate controversy: আক্রান্ত হরপ্রসাদ বাগের দাবি, তিনি ব্যক্তিগত কাজে আরামবাগে বিজেপির মূল কার্যালয়ের কাছাকাছি গিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় কয়েকজন বিজেপি কর্মী তাঁকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে পার্টি অফিসের ভেতর মারধর শুরু করে। বাঁশ দিয়ে মেরে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

আরামবাগ: নির্বাচনী আবহে এবার দলীয় কোন্দল ও হিংসার অভিযোগ উঠল বিজেপির অন্দরেই। নির্দল প্রার্থী হিসেবে ভোটে দাঁড়ানোর ‘অপরাধে’ আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট হরপ্রসাদ বাগকে বিজেপি কার্যালয়ে ঢুকিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে দলেরই নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ৬ জনের বিরুদ্ধে আরামবাগ থানায় খুনের চেষ্টার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত ওই প্রাক্তন নেতা।
ঘটনার বিবরণ
আক্রান্ত হরপ্রসাদ বাগের দাবি, তিনি ব্যক্তিগত কাজে আরামবাগে বিজেপির মূল কার্যালয়ের কাছাকাছি গিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় কয়েকজন বিজেপি কর্মী তাঁকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে পার্টি অফিসের ভেতর মারধর শুরু করে। বাঁশ দিয়ে মেরে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। কোনওমতে প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে এসে তিনি আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করান।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও প্রতিক্রিয়া
হরপ্রসাদ এবার পুরশুড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্দল প্রার্থী হিসাবে লড়াই করছেন। তাঁর বক্তব্য, “বিজেপি ছাড়া সব দলই পুরশুড়ায় ভূমিপুত্র প্রার্থী করেছে। এলাকার দাবি মেনেই আমি নির্দলে দাঁড়িয়েছি, আর সেই আক্রোশ থেকেই এই হামলা।”
অন্যদিকে, আরামবাগ বিজেপির পৌর মণ্ডলের সভাপতি সুমন তেওয়ারি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর পাল্টা প্রশ্ন, “উনি যদি নির্দল প্রার্থীই হন, তবে বিজেপির পার্টি অফিসে কী করছিলেন? তিনি মিথ্যা কথা বলছেন।”
তৃণমূলের দাবি
ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক পারদ চড়েছে পুরশুড়ায়। তৃণমূল প্রার্থী পার্থ হাজারি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুরশুড়ার তৃণমূল প্রার্থী পার্থ হাজারি বলেন, “আমি শুনেছি। যাঁকে মারধর করা হয়েছে, তিনি নাকি আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি ছিলেন। এটা বিজেপির নিজেদের ব্যাপার।”
বর্তমানে এই ঘটনার জেরে আরামবাগ এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন এই পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে।
