Singur Land Chaos: সিঙ্গুরে আবার ফিরবে টাটা, আশ্বাস দিলেন সুকান্ত
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ বলে থাকেন, চৌত্রিশ বছরে বামেদের দুর্গ নাড়াতে সিঙ্গুরের এই আন্দোলন ছিল গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। বামফ্রন্ট সরকার তৎকালীন সময়ে এই সিঙ্গুরে টাটা ন্যানোর কারখানা তৈরি করবে বলে কৃষকদের থেকে জমি অধিগ্রহণ করে। তবে সেই সময় বিরোধী নেত্রী থাকাকালীন বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সিঙ্গুর: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সিঙ্গুরের সভা ঘিরে তপ্ত বঙ্গ রাজ্য-রাজনীতি। মোদীর সভায় আমন্ত্রণ জানাতে সাধারণের দুয়ারে-দুয়ারে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রীর সভার জন্য জমি দিয়েছেন কৃষকরাই। সিঙ্গুরের কৃষকরাই এখন শিল্প চাইছেন। ওই জমিতেই শিল্প হবে বলে দাবি কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের। তাঁর আরও আশ্বাস বিজেপি এলে ফিরবে টাটা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ বলে থাকেন, চৌত্রিশ বছরে বামেদের দুর্গ নাড়াতে সিঙ্গুরের এই আন্দোলন ছিল গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। বামফ্রন্ট সরকার তৎকালীন সময়ে এই সিঙ্গুরে টাটা ন্যানোর কারখানা তৈরি করবে বলে কৃষকদের থেকে জমি অধিগ্রহণ করে। তবে সেই সময় বিরোধী নেত্রী থাকাকালীন বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার দাবি, সিপিএম কৃষকদের থেকে সেই জোর করে জমি ছিনিয়ে নিয়েছিল। যদিও এর জল বহুদূর গড়ায়। সিঙ্গুর ছাড়তে বাধ্য হয় টাটা। বর্তমান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সেই সময় তৃণমূলে ছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আন্দোলনে সামিল হলেও বর্তমানে এই ইস্যুতে নিজের মত পরিবর্তন করেছেন তিনি।
সেই সিঙ্গুরেই এবার প্রধানমন্ত্রীর সভা। বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের ভোটের পূর্বে আশ্বাস, মোদী সরকার এলে এখানে টাটা ফিরবে। তিনি বলেন, “আমরা জানি কীভাবে করতে হয়। আমরা উত্তর প্রদেশে বিজনেস করিডর করছি। আর একটা তামিলনাড়ুতে হচ্ছে। এটা আর কোথাও নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাল্লায় পড়লে নাকও যাবে, নুড়ুলও যাবে পাবেন না কিছুই। উনি শুধু নিজের পরিবারের জন্য করেন।”
সিপিএম নেতা কলতান দাশগুপ্ত বলেন, “নির্বাচনের আগেই এত বড় বড় কথা বলে বোঝা যায় না। এর আগে ভোটের সময় বলেছিলেন,দুর্নীতিবাজদের ধরবে। ভোট এলে কাকে ধরি আর কাকে ছাড়ি।” তৃণমূল মুখপাত্র তন্ময় ঘোষ বলেন, “গুজরাটে যে কারখানা হয়েছিল সেটা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সেটা কেন বন্ধ হল? আর এখানে টাটা আগে থেকেই বিনিয়োগ করছে। সিঙ্গুরের সেই সময় আন্দোলন ছিল সকল মানুষ ও সব রাজনৈতিক দলের। তখন রাজনাথ সিংও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেই ছিলেন।”
