AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Serampore: দিলীপের সভার পরই তুমুল গণ্ডগোল, দলের কর্মীদেরই পেটালেন বিজেপির লোকজন

Hooghly: রিভলবারের বাট, ইট, বাঁশ দিয়ে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। মারধরে আহত বিজেপি নেতাকর্মীরা উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়েছেন। পরবর্তীতে তারা উত্তরপাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর মধ্যে জানা যাচ্ছে, মণ্ডল সভাপতি গৌতম মাঝির আঘাত গুরুতর। তাঁকে একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছে।

Serampore: দিলীপের সভার পরই তুমুল গণ্ডগোল, দলের কর্মীদেরই পেটালেন বিজেপির লোকজন
বিজেপি কর্মীদের মারধরImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 29, 2026 | 1:04 PM
Share

শ্রীরামপুর: বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) সভার পরেই বিজেপির গোষ্ঠী সংঘর্ষ উত্তরপাড়া মাখলা মণ্ডলে। অভিযোগ, দিলীপ ঘোষের সভা থেকে বেরিয়ে এসে মাখলা মণ্ডল অফিসের ভিতরই মণ্ডল সভাপতি গৌতম মাঝির ওপর চড়াও হয় বিজেপির শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুমন ঘোষের অনুগামী বলে পরিচিত বেশ কয়েকজন। রিভলবারের বাট, ইট, বাঁশ দিয়ে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। মারধরে আহত বিজেপি নেতাকর্মীরা উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়েছেন। পরবর্তীতে তারা উত্তরপাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর মধ্যে জানা যাচ্ছে, মণ্ডল সভাপতি গৌতম মাঝির আঘাত গুরুতর। তাঁকে একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছে।

গৌতম মাঝির অভিযোগ, জেলা সভাপতি সুমন ঘোষ আদতে পয়সা খেয়ে দল যাতে না জেতে তার জন্য সমস্ত মণ্ডল এলাকায় গণ্ডগোল বাধিয়ে রেখেছেন। তার লোকজনরা মণ্ডল অফিসে সভাপতির পদ থেকে তাঁকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিল। তিনি রাজি না হওয়ায় তাঁকে এবং দলের বেশ কয়েকজন পুরনো কর্মীকে ব্যাপক মারধর করে। মাখলা মণ্ডলের বিজেপি যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক বাপ্পা মণ্ডল এই ঘটনায় সরাসরি জেলা সভাপতিকে দায়ী করে তার পদত্যাকে দাবি করেছেন।

প্রসঙ্গত, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিঙ্গুরে সভার দিনই পাল্টা উত্তরপাড়া মাখালা এলাকায় সভা করেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। যদিও, সেই সভায় মণ্ডল কমিটির লোকজনরা অনুপস্থিত ছিলেন। তারপরেই ঘটে এই সংঘর্ষের ঘটনা। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত বিজেপির শ্রীরামপুর সংগঠনিক জেলার সভাপতি সুমন ঘোষের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তিনি ফোন ধরেননি।