Indian Railways: বাংলায় রেলপথ নিয়ে বড় আপডেট দিল রেলমন্ত্রক
Hooghly: একদিকে খানাকুলের মাটিতে রেলপথ তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে আবার পুড়শুড়া বিধানসভার আরামবাগ-তারকেশ্বর রেললাইনে তকিপুর ও তালপুরের মধ্যবর্তী রসুলপুর-জঙ্গলপাড়া হল্ট স্টেশনের ছাড়পত্র মিলেছে রেল মন্ত্রক থেকে। স্বভাবতই বিধানসভা নির্বাচনের আগে খানাকুল ও পুড়শুড়ার খুশির জোয়ার দুই বিজেপি বিধায়কের।

হুগলি: বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস যখন নিজেদের জনমুখী প্রকল্পকে হাতিয়ার করে ময়দানে নামছে, তখন কি বাংলায় একের পর এক রেল প্রকল্প নিয়ে এসে ভোটের প্রচার করতে চাইছে বিজেপি? কারণ, বন্দে-ভারত স্লিপারের পর আরও তিনটি রেল প্রকল্পের ছাড়পত্র দিল কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রক। রাজা রামমোহন রায়ের জন্মভূমিতে রেলে সংযোগের ছাড়পত্র। ইতিমধ্যেই বিজেপি সোশ্যাল মাধ্যমে ছাড়পত্রের নমুনা কপি ও ব্যানার পোস্টারে ছয়লাপ করে ফেলেছে এলাকা।
একদিকে খানাকুলের মাটিতে রেলপথ তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে আবার পুড়শুড়া বিধানসভার আরামবাগ-তারকেশ্বর রেললাইনে তকিপুর ও তালপুরের মধ্যবর্তী রসুলপুর-জঙ্গলপাড়া হল্ট স্টেশনের ছাড়পত্র মিলেছে রেল মন্ত্রক থেকে। স্বভাবতই বিধানসভা নির্বাচনের আগে খানাকুল ও পুড়শুড়ার খুশির জোয়ার দুই বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ ও বিমান ঘোষের। যদিও দুই বিধায়কের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে রেলমন্ত্রকে বিষয়টি জানিয়ে আসছিলেন এবং রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গেও দেখা করে যাতে এখানে হল্ট হয়। সেই মতোই মিলল ছাড়পত্র।
ইতিমধ্যেই রেলমন্ত্রকের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে ১) সিউড়ি–নালা নতুন লাইন (৭৩ কিমি), রাজনগর ও বক্রেশ্বর ধাম হয়ে চলবে। ২) আরামবাগ–খানাকুল নতুন লাইন (২৭ কিমি) ও ৩) রাসুলপুর–জঙ্গলপাড়া নতুন লাইন (৭৮ কিমি)
বর্তমানে আরামবাগ ও খানাকুলের মূলত সড়কপথেই যাতায়াত করা হয়। যার জেরে বিশেষত বর্ষাকালে প্রবল যানজট হয়। প্রস্তাবিত নতুন এই রেললাইনটি তৈরি হলে যাত্রীদের চাহিদা পূরণ হবে। আর রসুলপুর (মেইন লাইন) থেকে পাল্লা রোড (কর্ড লাইন) পর্যন্ত একটি নতুন লাইন হবে। যার ফাইনাল লোকেশনের সার্ভে হয়ে গিয়েছে।
