Hooghly: বৃদ্ধাকে কবরস্থ করার আগেই পাঁচিল থেকে ছিটকে পড়লেন যুবক, তারপর…
Pandua graveyard electrocution: ঘটনার সময় সেখানে ছিলেন শেখ জাকির হোসেন। তিনি বলেন, "একজন বৃদ্ধা মারা গিয়েছিলেন। কবর খোঁড়া চলছিল। রাত হয়ে যাবে, তাই গ্রামের এক যুবককে ডাকা হয় লাইট লাগানোর জন্য। হঠাৎ দেখি ওই যুবক ছিটকে নিচে পড়ে যায়। তার পড়ে যাওয়ার পর দেখা যায় তারে অসংখ্য ছিদ্র রয়েছে। তখনই তাকে গরম দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করলেও খেতে পারেনি।"

পাণ্ডুয়া: মৃত্যু ঘিরে শোক। তার মধ্যেই নেমে এল আরও এক মৃত্যুর খবর। মৃতদেহ কবরস্থ করার আগে কবরস্থানে আলো লাগাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল এক যুবকের। রবিবার এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে হুগলির পাণ্ডুয়ার সাতঘরিয়া এলাকায়। এক বৃদ্ধার শেষযাত্রার প্রস্তুতির মধ্যেই যুবকের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে গোটা এলাকায়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার সন্ধ্যায় সাতঘরিয়ার বছর ৮৫-র এক বৃদ্ধার বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যু হয়। সন্ধ্যার নামাজের পর তাঁকে স্থানীয় কবরস্থানে কবরস্থ করার কথা ছিল। সন্ধে হয়ে যাওয়ায় কবরস্থানে আলোর ব্যবস্থা করতে ডাক পড়ে এলাকারই বাসিন্দা বান্টি সিংয়ের। পেশায় তিনি ইলেকট্রিকের কাজ করতেন। বিকেলে কবরস্থানে গিয়ে পাঁচিলের উপর উঠে হ্যালোজিন লাইট লাগাচ্ছিলেন বান্টি। ঠিক তখনই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। পাঁচিল থেকে ছিটকে নিচে পড়ে যান নিচে। স্থানীয়রা তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে পাণ্ডুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পাণ্ডুয়া থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
ঘটনার সময় সেখানে ছিলেন শেখ জাকির হোসেন। তিনি বলেন, “একজন বৃদ্ধা মারা গিয়েছিলেন। কবর খোঁড়া চলছিল। রাত হয়ে যাবে, তাই গ্রামের এক যুবককে ডাকা হয় লাইট লাগানোর জন্য। হঠাৎ দেখি ওই যুবক ছিটকে নিচে পড়ে যায়। তার পড়ে যাওয়ার পর দেখা যায় তারে অসংখ্য ছিদ্র রয়েছে। তখনই তাকে গরম দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করলেও খেতে পারেনি। তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ডাক্তার মৃত বলে ঘোষণা করেন।” বৃদ্ধাকে কবরস্থ করার আগেই যুবকের মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোক।
