AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Hooghly: গোঁফ কামিয়ে মলদ্বীপে পালাচ্ছিলেন তৃণমূল নেতা? বিস্ফোরক অভিযোগ

TMC Leader: বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য স্বপন পাল বলেন, তৃণমূল আর দুর্নীতি সমার্থক। চাল, ত্রিপল, চাকরি সবকিছুই চুরি করেছে এরা। পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে একদম মন্ত্রী পর্যন্ত কেউ বাকি নেই। পুলিশ কোনও ব্যবস্থা তখন নেয়নি। আইন আইনের পথে চলছে।

Hooghly: গোঁফ কামিয়ে মলদ্বীপে পালাচ্ছিলেন তৃণমূল নেতা? বিস্ফোরক অভিযোগ
তৃণমূল নেতা স্বপন নন্দীImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jun 16, 2026 | 10:57 AM
Share

হুগলি: পুরসভার তথ্য নষ্ট করে বিদেশে পালানোর ছক ছিল আরামবাগের প্রাক্তন তৃণমূল (TMC) চেয়ারম্যানের। গ্রিনসিটি প্রকল্পের টাকা নয়ছয় (Corruption) করা সহ একাধিক অভিযোগ ছিল ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। সোমবার তাঁকে ওই মামলায় ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ধৃত নেতার নাম স্বপন নন্দী।

আদালতে সওয়াল-জবাবে অভিযোগ উঠে আসে, কেরলম থেকে বিদেশে পালানোর ছক ছিল ওই নেতার। তার আগেই হুগলি গ্রামীণ পুলিশের জালে ধরা পড়ে যান তিনি। সোমবার চুঁচুড়া আদালতে পেশ করা হলে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

মামলার স্পেশাল পিপি বিভাস চট্টোপাধ্যায় জানান, চেয়ারম্যান পদ চলে যাওয়ার পর সমস্ত তথ্য পুরসভার কম্পিউটার থেকে মুছে দিয়েছিলেন প্রাক্তন চেয়ারম্যান স্বপন নন্দী। যদিও তার অনেকটাই গুগল ক্লাউড থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আরামবাগে গ্রিন সিটি প্রকল্পের ৭ কোটি ৪০ লক্ষ টাকার দুর্নীতি হয়েছে। ৪৪টি স্কুলে সোলার প্যানেল বসানোর কথা ছিল। কিছু স্কুলে বসানো হলেও অনেক স্কুলে সেগুলো বসানোই হয়নি, অথচ সংশ্লিষ্ট সংস্থা টাকা পেয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এই কাজের বরাত যাকে দেওয়া হয়েছিল, সে একেবারেই অযোগ্য ছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। অথচ টাকার বিনিময়ে তাকেই দেওয়া হয়েছিল সেই কাজ।

অভিযুক্ত স্বপন নন্দী কেরলম থেকে বিদেশে পালানোর ছক কষেছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ। তদন্তে উঠে এসেছে, মলদ্বীপ পালানোর ছক ছিল তাঁর। গোঁফ কামিয়ে ভোল বদল করেও ছিলেন। ফলে তাঁকে পেতেও কিছুটা সমস্যায় পড়েছিল পুলিশ।

বর্তমান চেয়ারম্যান সমীর ভান্ডারী গ্রিন সিটি প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতেই এই মামলা হয়। আরামবাগের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর গৌতম গঙ্গোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, সমস্ত সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি করেছিলেন স্বপন নন্দী। আরামবাগের তৎকালীন বিধায়ক, সাংসদ সবকিছু জানতেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।

বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য স্বপন পাল বলেন, তৃণমূল আর দুর্নীতি সমার্থক। চাল, ত্রিপল, চাকরি সবকিছুই চুরি করেছে এরা। পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে একদম মন্ত্রী পর্যন্ত কেউ বাকি নেই। পুলিশ কোনও ব্যবস্থা তখন নেয়নি। আইন আইনের পথে চলছে।

ধৃত স্বপন নন্দী দাবি করেন, তাঁর সময়েই আরামবাগে মেডিক্যাল কলেজে হেলিপ্যাড তৈরি হয়েছে। আরামবাগে নানা উন্নয়নের কাজ তিনি করেছেন। তাঁকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, তিনি কেরলমে গিয়েছিলেন চিকিৎসা করাতে, কোনও পালানোর ছকে নয়।

Follow Us