AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Hooghly: ‘ছেলে মাস্টার্স ডিগ্রি করে ভিখারির মতো ঘুরে বেড়াচ্ছে’, তৃণমূল প্রার্থীকে কাছে পেয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন মহিলা

West Bengal Assembly election: আরামবাগের মায়াপুর-১ পঞ্চায়েতের হাটবসন্তপুর এলাকায় প্রচার চলাকালীন এক ভোটারের ঘুঁটে শুকাতে দেখে তা উল্টে দেন তৃণমূল প্রার্থী মিতা বাগ। ঘুঁটে উল্টানোর সময় পাশ থেকে কর্মীরা জয় বাংলা স্লোগান দেন। একই পাড়ায় এক অশীতিপর বৃদ্ধা প্রার্থীকে কাছে পেয়ে দুই হাত তুলে নাচতে থাকেন। সেইসময় প্রার্থীও ওই বৃদ্ধার সঙ্গে দু'হাত তুলে নেচে সঙ্গ দেন।

Hooghly: 'ছেলে মাস্টার্স ডিগ্রি করে ভিখারির মতো ঘুরে বেড়াচ্ছে', তৃণমূল প্রার্থীকে কাছে পেয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন মহিলা
তৃণমূল প্রার্থী মিতা বাগকে কাছে পেয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন মহিলাImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 25, 2026 | 9:35 AM
Share

আরামবাগ: বাংলায় কর্মসংস্থান নেই বলে লাগাতার শাসকদলকে নিশানা করে বিরোধীরা। আবার তৃণমূলের দাবি, বাংলায় বেকারত্ব ৪০ শতাংশ কমেছে। এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যেই ভোট প্রচারে গিয়ে অস্বস্তিতে পড়লেন হুগলির আরামবাগের তৃণমূল প্রার্থী মিতা বাগ। তাঁকে কাছে পেয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন গ্রামবাসীরা। একজন বললেন, “ছেলে মাস্টার্স ডিগ্রি করেছে। আমার ছেলে ভিখারির মতো ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমার ছেলেকে যে চাকরি দেবে তাকেই ভোট দেব।” 

মঙ্গলবার ভোট প্রচারে বেরিয়ে একের পর এক গ্রামবাসীৃর কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়েন আরামবাগের তৃণমূল প্রার্থী মিতা বাগ। তাঁকে সামনে পেয়ে মায়াপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বামসা, আমরেল-সহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষ ক্ষোভ, অভিমান উগরে দিলেন। একজন চাষির স্ত্রী আক্ষেপ করে বলেন, “একমুঠো ভাতের তরে ছেলের বিয়ে দিতে পারিনি। ছেলে মাস্টার্স ডিগ্রি করেছে। আমার ছেলে ভিখারির মতো ঘুরে বেড়াচ্ছ। আমার ছেলেকে যে চাকরি দেবে, তাকেই ভোট দেব।” তিনি আরও বলেন, তাঁর স্বামী দিনরাত মাঠে খেটে সংসার চালান। সেই কষ্টের টাকায় ছেলেকে মাস্টার্স ডিগ্রি পর্যন্ত পড়াশোনা করিয়েছেন। এমনকি তিন লক্ষ টাকা খরচ করে ট্রেনিংও করিয়েছেন। তা শুনে তৃণমূল প্রার্থী বলেন, “কর্মসংস্থান হচ্ছে। সেটা একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই করছেন। আস্তে আস্তে সব হবে।” তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানিয়ে সেখান থেকে এগিয়ে যান মিতা বাগ। 

তৃণমূল প্রার্থীকে কাছে পেয়ে আর এক আলুচাষি সরাসরি প্রশ্ন তোলেন কৃষকদের দুর্দশা নিয়ে। তাঁর অভিযোগ, আলুর দাম নেই, বর্ডার বন্ধ থাকার কারণে রফতানিতে সমস্যা হচ্ছে। ফলে চাষিরা চরম সংকটে পড়ছেন। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন, “চাষি কেন মরছে?” এই ধরনের প্রশ্নে পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শুধু কৃষক সমস্যাই নয়, সরকারি প্রকল্প নিয়েও ক্ষোভ উগরে দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এক মহিলা অভিযোগ করেন, বহুবার সরকারি বাড়ির জন্য আবেদন করেছেন। প্রশাসনের লোক এসে ছবি তুলে নিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত তিনি বাড়ি পাননি। এই অভিযোগ শুনে প্রার্থী মিতা বাগ তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।

এদিন টানা প্রচারে ক্লান্ত হয়ে পড়লেও থেমে থাকেননি প্রার্থী। মাঝেমধ্যে মুখে জল ছিটিয়ে নিজেকে সতেজ করে আবার প্রচার শুরু করেন। নানা অস্বস্তিকর প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েও তিনি প্রচারে কোনও খামতি রাখেননি। তবে এই প্রচার পর্বে সাধারণ মানুষের জমে থাকা ক্ষোভ যে সামনে চলে এসেছে, তা স্পষ্ট।

Tmc Candidate Mita Bag (2)

প্রচারে বেরিয়ে ঘুঁটে উল্টে দিলেন এবং বৃদ্ধার সঙ্গে নাচলেন তৃণমূল প্রার্থী মিতা বাগ

আবার আরামবাগের মায়াপুর-১ পঞ্চায়েতের হাটবসন্তপুর এলাকায় প্রচার চলাকালীন এক ভোটারের ঘুঁটে শুকাতে দেখে তা উল্টে দেন তৃণমূল প্রার্থী মিতা বাগ। ঘুঁটে উল্টানোর সময় পাশ থেকে কর্মীরা জয় বাংলা স্লোগান দেন। একই পাড়ায় এক অশীতিপর বৃদ্ধা প্রার্থীকে কাছে পেয়ে দুই হাত তুলে নাচতে থাকেন। সেইসময় প্রার্থীও ওই বৃদ্ধার সঙ্গে দু’হাত তুলে নেচে সঙ্গ দেন। বৃদ্ধাকে কোলে তুলে নেন। জড়িয়ে ধরেন। সবমিলিয়ে প্রচারে কোনও খামতি রাখেননি আরামবাগের তৃণমূল প্রার্থী।

Follow Us